নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বদলির নির্দেশ না মানায় পটাশপুরের প্রাইমারি শিক্ষকের মাইনে বন্ধ করে দিল জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ। আজ, মঙ্গলবারের মধ্যে তাঁকে নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নতুন স্কুলে জয়েন করে মাইনে বন্ধের নির্দেশিকা খারিজ কারার আবেদন জানাতে হবে। তবেই, তাঁর মাইনে নিয়মিত করা হবে। অন্যথায় ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই মাইনে থেকে বঞ্চিত হবেন অনুপম কুণ্ডু নামে ওই শিক্ষক। তিনি পটাশপুর-২ব্লকের দক্ষিণ লাওয়া প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক। তাঁকে কাখুড়িয়া বাপুপি প্রাইমারি স্কুলে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লোকাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সিস্টেমে তাঁকে কাখুড়িয়ায় বদলি করা হলেও তিনি নির্দেশ মানেননি। তাছাড়া, দক্ষিণ লাওয়া এলাকার অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরাও শিক্ষক সঙ্কটের কারণে অনুপমবাবুকে ছাড়তে চাইছেন না। সবমিলিয়ে উভয় সঙ্কটে পড়েছেন ওই শিক্ষক।
Advertisement
প্রাইমারি টিচার নিয়োগ আটকে থাকায় পূর্ব মেদিনীপুরে বহু স্কুলে শিক্ষক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কিছু স্কুলে মাত্র একজন করে শিক্ষক আছেন। পটাশপুর দক্ষিণ সার্কেলে দু’টি প্রাইমারিতে শিক্ষক সংখ্যা এক। তারমধ্যে কখুড়িয়া বাপুজি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। মাত্র একজন শিক্ষক থাকা ওই স্কুলে অনুপম কুণ্ডুকে বদলি করে জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল। গত জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই নির্দেশ এলেও অনুপমবাবু জয়েন করেননি। দক্ষিণ লাওয়া প্রাইমারিতে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ৬৩জন। সেখান থেকে একজন শিক্ষককে সরিয়ে নিলে ওই স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হতে পারে বলে অভিভাবকদের আশঙ্কা। তাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং অভিভাবকরাও ওই শিক্ষকের বদলির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে, অনুপমবাবু কাউন্সিলের নির্দেশিকা অগ্রাহ্য করায় শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে।
স্কুল কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৮ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ লাওয়া প্রাইমারি স্কুলের অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা স্কুলের স্বাভাবিক পঠনপাঠনের জন্য বদলির নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। যদিও এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থানে অনড় স্কুল কাউন্সিল। শেষ সুযোগ হিসেবে মঙ্গলবার তাঁকে নতুন স্কুলে জয়েন করতেই হবে। তবেই মাইনে বন্ধের নির্দেশিকা প্রত্যাহার হতে পারে।
অনুপমবাবু বলেন, শিক্ষার অধিকার আইনে প্রতি ৩০জন ছাত্রছাত্রীর জন্য একজন শিক্ষক থাকবেন। আমাদের স্কুলে এখন ৬৩জন ছাত্রছাত্রী আছে। সরকারি নিয়মেই তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকবেন। এখানে উদ্বৃত্ত থাকার প্রশ্নই নেই। তারপরও এই স্কুল থেকে আমাকে অন্যত্র লোকাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সিস্টেমে নিয়ে যেতে চায় স্কুল কাউন্সিল। সেই বদলির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখাচ্ছেন অভিভাবকরা। আমাকে স্কুলের ভিতর আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই অবস্থায় আমি নতুন স্কুলে যোগ দিতে পারিনি। তারমধ্যেই স্কুল কাউন্সিল আমার মাইনে বন্ধের নির্দেশিকা জারি করে। মাইনে বন্ধের কপি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা, শিক্ষাবন্ধুর কাছেও পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন স্কুলে যোগ দিলে মাইনে বন্ধের নির্দেশ প্রত্যাহার হতে পারে।
পটাশপুর দক্ষিণ সার্কেলের এসআই সন্দীপ দে বলেন, জানুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে ওই শিক্ষককে বদলির নির্দেশ পাঠানো হলেও তিনি কার্যকর করেননি। তাই তাঁর মাইনে বন্ধের নির্দেশ জারি করেছেন সংসদ সভাপতি। মঙ্গলবার স্কুলে যোগ দিয়ে আবেদন জমা করলে ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহার হতে পারে।
স্কুল কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৮ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ লাওয়া প্রাইমারি স্কুলের অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা স্কুলের স্বাভাবিক পঠনপাঠনের জন্য বদলির নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। যদিও এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থানে অনড় স্কুল কাউন্সিল। শেষ সুযোগ হিসেবে মঙ্গলবার তাঁকে নতুন স্কুলে জয়েন করতেই হবে। তবেই মাইনে বন্ধের নির্দেশিকা প্রত্যাহার হতে পারে।
অনুপমবাবু বলেন, শিক্ষার অধিকার আইনে প্রতি ৩০জন ছাত্রছাত্রীর জন্য একজন শিক্ষক থাকবেন। আমাদের স্কুলে এখন ৬৩জন ছাত্রছাত্রী আছে। সরকারি নিয়মেই তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকবেন। এখানে উদ্বৃত্ত থাকার প্রশ্নই নেই। তারপরও এই স্কুল থেকে আমাকে অন্যত্র লোকাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সিস্টেমে নিয়ে যেতে চায় স্কুল কাউন্সিল। সেই বদলির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখাচ্ছেন অভিভাবকরা। আমাকে স্কুলের ভিতর আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই অবস্থায় আমি নতুন স্কুলে যোগ দিতে পারিনি। তারমধ্যেই স্কুল কাউন্সিল আমার মাইনে বন্ধের নির্দেশিকা জারি করে। মাইনে বন্ধের কপি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা, শিক্ষাবন্ধুর কাছেও পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন স্কুলে যোগ দিলে মাইনে বন্ধের নির্দেশ প্রত্যাহার হতে পারে।
পটাশপুর দক্ষিণ সার্কেলের এসআই সন্দীপ দে বলেন, জানুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে ওই শিক্ষককে বদলির নির্দেশ পাঠানো হলেও তিনি কার্যকর করেননি। তাই তাঁর মাইনে বন্ধের নির্দেশ জারি করেছেন সংসদ সভাপতি। মঙ্গলবার স্কুলে যোগ দিয়ে আবেদন জমা করলে ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহার হতে পারে।



