নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এমএলএ হস্টেলে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে। বিধায়ক ব্যতীত বাকিরা পাস ছাড়া ঢুকতে পারবেন না বিধায়ক আবাসনে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, বিধায়কদের লেটার হেডে আসা সুপারিশপত্রের বৈধতা যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট বিধায়ককেই ফোন করে।
Advertisement
প্রশাসনিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধায়কের লেটার হেড বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে থাকে। বিধায়করা তাঁদের লেটার হেডেই সরকারি চিঠি লিখে থাকেন। কিন্তু ইদানীং এই লেটার হেডে লেখা চিঠি নিয়েই সামনে আসছে কিছু অবাঞ্ছিত ঘটনা। অসাধু চক্রের লোকজনের তরফে বিধায়কের লেটার হেড জাল করার কাণ্ডও সামনে এসেছে। ফলে এই ব্যবস্থার স্বচ্ছতা যাচাই করতে এবার বিধানসভা কর্তৃপক্ষ আরও কড়া অবস্থান নিয়েছে। বিধায়কের লেটার হেড বৈধ কি না তা সংশ্লিষ্ট বিধায়কই নিশ্চিত করে জানাবেন। মূলত গতমাসের শেষদিকে এমএলএ হস্টেল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিস। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে কালনা পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ‘তোলা’ চওয়ার একটি ঘটনা ঘটে। ওই কাণ্ডে এক বিধায়কের লেটার হেড ব্যবহার করে এমএলএ হস্টেলে ঘর বুকিং করেছিল অভিযুক্তরা। তার প্রেক্ষিতেই এবার বিধানসভা কর্তৃপক্ষ নতুন ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিধায়কের সুপারিশপত্র বা চিঠি নিয়ে যে কেউ থাকতে পারেন কিড স্ট্রিটে অবস্থিত এমএলএ হস্টেলে। কিন্তু এবার থেকে বিধায়কের চিঠি হাতে এলেই অতিথিরা সেখানে ঘর পাবেন না। চিঠির সত্যাসত্য ফোনে যাচাই করেই অতিথিকে গেস্ট রুম বরাদ্দ করা হবে। ওই ভবনের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই কড়াকড়ি। বিধায়কের গাড়িতে আসা অনুগামীরা প্রথমেই হস্টেলে প্রবেশাধিকার পাবেন না। গেটে তাঁদের প্রত্যেকের পরিচয় রেকর্ড করা হবে, তারপর ‘এন্ট্রি পাস’ হাতে পেলে তবেই তাঁরা সেখানে ঢুকতে পারবেন। এখন থেকে বিধায়কদের গাড়িতে শুধু ‘এমএলএ লেখা’ থাকলেই চলবে না, বিধানসভার হলোগ্রামযুক্ত স্টিকারও থাকবে গাড়ির সামনের কাচে।
সাধারণত বিধায়কের সুপারিশপত্র নিয়ে তাঁর অতিথিরা এমএলএ হস্টেলে থাকতে পারেন। কিন্তু সেখানে ‘অতিথির অতিথিদের’ প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই ধরনের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা সেরে ফেলতে হবে একেবারে গেটের বাইরে। এমনকী, বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীরও পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন হস্টেল কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এমএলএ হস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র করে ফেলতেই তৎপর কর্তৃপক্ষ।
সাধারণত বিধায়কের সুপারিশপত্র নিয়ে তাঁর অতিথিরা এমএলএ হস্টেলে থাকতে পারেন। কিন্তু সেখানে ‘অতিথির অতিথিদের’ প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই ধরনের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা সেরে ফেলতে হবে একেবারে গেটের বাইরে। এমনকী, বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীরও পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন হস্টেল কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এমএলএ হস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র করে ফেলতেই তৎপর কর্তৃপক্ষ।



