সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির জুনপুট কোস্টাল থানার বাঁকিপুট গ্রামে চারদিন নিখোঁজ থাকার পর এক বৃদ্ধের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ বাড়ি থেকে সামান্য দূরে একটি পুকুরেব জলে বিদ্যাধর গুড়িয়া(৮০) নামে ওই বৃদ্ধকে ভাসতে দেখেন স্থানীয়। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। তার ভিত্তিতে পুলিস মৃতের বড় ছেলে ও বউমা একং ছোট ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। বিদ্যাধরবাবুর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। স্ত্রী কয়েকবছর আগে মারা যান। তবে ছেলেদের সঙ্গে বৃদ্ধের বনিবনা হতো না। তিনি বাড়িতে নিজের মতো করে থাকতেন। গত শুক্রবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। রবিবার বৃদ্ধের বড় ছেলে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃদ্ধের ছবি দিয়ে খোঁজ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ পুকুরের জলে দেহটি ভেসে ওঠে।
Advertisement
গ্রামবাসীদের সন্দেহ বৃদ্ধের নিখোঁজের পিছনে ছেলে ও বউমা যুক্ত থাকতে পারে। দেহ উদ্ধারের পর সেই সন্দেহ আরও জোরালো হয়। বুধবার গ্রামে বড় ছেলে ও বউমা এবং ছোট ছেলেকে নিয়ে সালিশি সভা বসে। সেখানে অভিযুক্তরা খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে গ্রামবাসীদের দাবি। এরপর থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিস তাদের আটক করে নিয়ে যায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিদ্যাধরবাবুর সঙ্গে ছেলেদের অনেকদিন ধরেই বিবাদ ছিল। সেই বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। পারে। বৃদ্ধকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহটি বাড়ির মধ্যে কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং সুযোগ বুঝে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
জুনপুট কোস্টাল থানার ওসি কামার হাসিদ বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তদন্তে সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জুনপুট কোস্টাল থানার ওসি কামার হাসিদ বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তদন্তে সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



