নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: এক বৃদ্ধাকে ইঞ্জেকশন দিয়ে অচেতন করে বাড়ি থেকে সর্বস্ব লুট করল দুই যুবক। প্রকাশ্যে দিনের বেলায় খোদ সল্টলেকের এই ঘটনায় শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরই বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিস মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করেছে। ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার নাম করেই বাড়িতে ঢুকেছিল তারা। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়। নার্সিং কেয়ার গিভারের কাজ করে সে। তাই ইঞ্জেকশন দেওয়ার প্রশিক্ষণও রয়েছে। অপরজনের খোঁজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, বৃদ্ধাকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সল্টলেকের পূর্বাচলে ওই বৃদ্ধার বাড়ি। নাম ছায়া সেনগুপ্ত। গত অক্টোবর মাসে তাঁর স্বামী মারা গিয়েছেন। তারপর থেকে তিনি বাড়িতে একাই থাকেন। তাঁর স্বামী যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন তাঁকে দেখভাল করার দায়িত্বে ছিল ধৃত শুভঙ্কর। সেই সুযোগে বাড়ির কোথায় কী রয়েছে, তা দেখে নিয়েছিল সে। অর্থাৎ, তখনই সে রেইকি করে ফেলেছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর শুভঙ্কর জানতে পারে, ওই বৃদ্ধা বাড়িতে একাই থাকেন। তারপরই ওই বাড়িতে লুট করার পরিকল্পনা করে সে। এই কাজের জন্য সে আরও একজনকে সঙ্গে নিয়েছিল।
শনিবার সকালে শুভঙ্কর সহ দু’জন ছায়াদেবীর বাড়িতে যান। তিনি একাই ছিলেন। ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য এসেছি বলে তারা দু’জন বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ব্যাগের মধ্যেই ইঞ্জেকশন ছিল। বাড়িতে ঢুকেই বৃদ্ধার মুখ চাপা দিয়ে ওই ঘুমের ইঞ্জেকশন দেয়। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধা অচেতন হয়ে পড়েন। তারপর দু’জনে মিলে লুটপাট চালায়। নগদ প্রায় দু’লক্ষ টাকা এবং সোনার অলঙ্কার নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। সংজ্ঞা ফেরার পরই ওই বৃদ্ধা বিধাননগর দক্ষিণ থানায় যোগাযোগ করেন। তারপরই তদন্তে নামে পুলিস।
বিধাননগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিস কমিশনার (দক্ষিণ) সম্বিতি চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমরা শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করি। কিছু টাকা উদ্ধার হয়েছে। বাকি টাকা ও অলঙ্কার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। অপরজনেরও খোঁজ চলছে। গত অক্টোবর মাসে শুভঙ্কর ওই বাড়িতে ছায়াদেবীর স্বামীর দেখাশোনার জন্য ৪-৫ দিন ছিল। ২৪ ঘণ্টাই থাকত। তাই সে সব জানত। সেই সুযোগে সে এই পরিকল্পনা করেছিল।
শনিবার সকালে শুভঙ্কর সহ দু’জন ছায়াদেবীর বাড়িতে যান। তিনি একাই ছিলেন। ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য এসেছি বলে তারা দু’জন বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ব্যাগের মধ্যেই ইঞ্জেকশন ছিল। বাড়িতে ঢুকেই বৃদ্ধার মুখ চাপা দিয়ে ওই ঘুমের ইঞ্জেকশন দেয়। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধা অচেতন হয়ে পড়েন। তারপর দু’জনে মিলে লুটপাট চালায়। নগদ প্রায় দু’লক্ষ টাকা এবং সোনার অলঙ্কার নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। সংজ্ঞা ফেরার পরই ওই বৃদ্ধা বিধাননগর দক্ষিণ থানায় যোগাযোগ করেন। তারপরই তদন্তে নামে পুলিস।
বিধাননগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিস কমিশনার (দক্ষিণ) সম্বিতি চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমরা শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করি। কিছু টাকা উদ্ধার হয়েছে। বাকি টাকা ও অলঙ্কার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। অপরজনেরও খোঁজ চলছে। গত অক্টোবর মাসে শুভঙ্কর ওই বাড়িতে ছায়াদেবীর স্বামীর দেখাশোনার জন্য ৪-৫ দিন ছিল। ২৪ ঘণ্টাই থাকত। তাই সে সব জানত। সেই সুযোগে সে এই পরিকল্পনা করেছিল।



