সংবাদদাতা, মানকর: ১৯নম্বর জাতীয় সড়কের বুদবুদের সার্ভিস রোড, বুদবুদ-মানকর আন্ডারপাসে অবাধে গোরু-মোষ চরে বেড়াচ্ছে। এলাকার আরও কয়েকটি আন্ডারপাসেও একই ছবি দেখা যায়। প্রচণ্ড জোরে চলাচলকারী গাড়ির সামনে আচমকা গোরু চলে আসছে। ফলে লরি, বাইকচালকদের গতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে। তাঁরা যে কোনও মুহূর্তে ওই রাস্তায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন।
Advertisement
পানাগড় থেকে বুদবুদ ঢোকার আগে সার্ভিস রোডে প্রচুর মোষ দাঁড়িয়ে থাকে। বাইক, গাড়ি নিয়ে যেতে সমস্যা হয়। চালকদের অভিযোগ, হর্ন দিলেও পশুরা সরে না। যারা ওই গোরু-মোষ চরাতে নিয়ে আসেন, তাঁরাও রাস্তা থেকে ওই গবাদি পশু সরাতে এগিয়ে আসেন না।
গলসির বাসিন্দা তথা নিত্যযাত্রী দিব্যেন্দু সেনাপতি বলেন, জাতীয় সড়ক থেকে মানকর যাওয়ার সার্ভিস রোডে প্রায়দিনই একদল মোষ দাঁড়িয়ে থাকে। অনেকসময় মোষগুলি সার্ভিস রোড থেকে আচমকা প্রধান রাস্তায় উঠে আসে। এতে গাড়িচালকদের সমস্যায় পড়তে হয়। কয়েকবছর আগে জাতীয় সড়কের কাদা রোড মোড় ফ্লাইওভারে গোরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের উপর থেকে ঝুলতে থাকে। এখানেও কড়া নজরদারি দরকার। না হলে যে কোনওদিন বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে।
আউশগ্রামের বাসিন্দা কাজল চক্রবর্তী বলেন, সার্ভিস রোডে অনেকসময় বড় গাড়ি সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তার মধ্যে গবাদি পশু চলে এলে যাওয়ার রাস্তা থাকে না। রাস্তায় কেন গোরু চরানো হবে? যাত্রীদের অভিযোগ, অনেক মালিক ঘাস খাওয়ানোর জন্য গোরু-মোষ ছেড়ে দিচ্ছেন। অনেক মালিকবিহীন গোরুও রয়েছে। রাস্তার ডিভাইডারের উপর যে ঘাস রয়েছে, তা খাওয়ার জন্য তারা জাতীয় সড়কে উঠে পড়ছে। যাত্রীদের দাবি, জাতীয় সড়কে গবাদি পশু ওইভাবে চরে বেড়াতে দেখলে সেগুলির মালিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।
বুদবুদ থানার ওসি(ট্রাফিক) চিরঞ্জীব গুহ রায় বলেন, নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। গোরু মালিকদের বাড়ি গিয়েও সচেতন করা হয়েছে।
গলসির বাসিন্দা তথা নিত্যযাত্রী দিব্যেন্দু সেনাপতি বলেন, জাতীয় সড়ক থেকে মানকর যাওয়ার সার্ভিস রোডে প্রায়দিনই একদল মোষ দাঁড়িয়ে থাকে। অনেকসময় মোষগুলি সার্ভিস রোড থেকে আচমকা প্রধান রাস্তায় উঠে আসে। এতে গাড়িচালকদের সমস্যায় পড়তে হয়। কয়েকবছর আগে জাতীয় সড়কের কাদা রোড মোড় ফ্লাইওভারে গোরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের উপর থেকে ঝুলতে থাকে। এখানেও কড়া নজরদারি দরকার। না হলে যে কোনওদিন বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে।
আউশগ্রামের বাসিন্দা কাজল চক্রবর্তী বলেন, সার্ভিস রোডে অনেকসময় বড় গাড়ি সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তার মধ্যে গবাদি পশু চলে এলে যাওয়ার রাস্তা থাকে না। রাস্তায় কেন গোরু চরানো হবে? যাত্রীদের অভিযোগ, অনেক মালিক ঘাস খাওয়ানোর জন্য গোরু-মোষ ছেড়ে দিচ্ছেন। অনেক মালিকবিহীন গোরুও রয়েছে। রাস্তার ডিভাইডারের উপর যে ঘাস রয়েছে, তা খাওয়ার জন্য তারা জাতীয় সড়কে উঠে পড়ছে। যাত্রীদের দাবি, জাতীয় সড়কে গবাদি পশু ওইভাবে চরে বেড়াতে দেখলে সেগুলির মালিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।
বুদবুদ থানার ওসি(ট্রাফিক) চিরঞ্জীব গুহ রায় বলেন, নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। গোরু মালিকদের বাড়ি গিয়েও সচেতন করা হয়েছে।



