নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া ও চুঁচুড়া: ভিড়ের রেকর্ড ছাপিয়ে গেল গতবছরকেও। বছর শেষের সন্ধ্যায় প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ পা রাখল হাওড়ার ক্রিসমাস কার্নিভালে। আশাতীত ব্যবসা হওয়ায় খুশির হাসি কার্নিভালে আসা বিক্রেতাদের মুখে। মঙ্গলবার দিনভর থিকথিকে ভিড় ছিল হাওড়া শহরের বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থানে। পাশাপাশি হেরিটেজ উৎসব উপলক্ষ্যে বছর শেষে অন্য মাত্রা পায় হুগলির শ্রীরামপুর। এদিন হুগলির পিকনিক স্পটগুলি ভিড়ে গমগম করছিল।
Advertisement
২০২৩ সালে প্রথমবার হাওড়ার শৈলেন মান্না সরণির ষষ্ঠী নারায়ণ ইকোপার্কে শুরু হয়েছিল ক্রিসমাস কার্নিভাল। বড়দিন থেকে শুরু হয়ে নতুন বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার মানুষ পা রেখেছিলেন। সে রেকর্ড এবার ছাপিয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর প্রায় ৪২ হাজার মানুষ এসেছিলেন কার্নিভালে। শনি ও রবিবার ভিড় ছিল ৩০ হাজারের কাছাকাছি। ৩১ ডিসেম্বরের সন্ধ্যায় ভিড়ের অঙ্ক প্রায় ৫০ হাজার ছুঁইছুঁই। কার্নিভাল কমিটির সদস্যদের কথায়, এই কার্নিভাল হাওড়াবাসীর নিজস্ব উৎসব। পরের বছর আরও বড় করা হবে। কার্নিভালে বিভিন্ন পোশাক ও প্রসাধনীর স্টলের ব্যবসায়ীরাও ভীষণ খুশি। তাঁরা বলেন, প্রতিদিনই ভালো টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি এদিন সকাল থেকেই বোটানিক্যাল গার্ডেন, বেলুড় মঠ, রেলওয়ে মিউজিয়াম, শরৎ সদনের হাওড়া প্ল্যানেটেরিয়ামে ছিল উপচে পড়া ভিড়। গঙ্গার পাড়ের বিভিন্ন রিসর্ট ও ফার্ম হাউজগুলিতে অনেকেই দুপুর কাটান পিকনিকের মুডে।
বছর শেষের আনন্দের এই ছবি দেখা গিয়েছে গঙ্গাপাড়ের আর এক শহর হুগলিতে। শ্রীরামপুরের হেরিটেজ উৎসবে বর্ষবরণের আয়োজন বাড়তি মাত্রা পেয়েছিল। বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গঙ্গায় জল সাফারি করতে ভিড় জমিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। গঙ্গার পাড় ধরে বিভিন্ন পিকনিক স্পট, দিল্লি রোডের ধারে ব্যান্ডেল, বৈদ্যবাটি, চণ্ডীতলার বিভিন্ন আমবাগানে দেখা গিয়েছে গিজগিজে কালো মাথার ভিড়। পিকনিক করতে আসা অনেকে বলেন, বছরের শেষদিন পরিবার নিয়ে পিকনিক করা মাস্ট। অনেকেই হয়ত রেস্তরাঁয় খেতে যান। তবে নদীর পাড়ে পিকনিকের আনন্দই অন্যরকম। চুঁচুড়া শহরের মতো গ্রামীণ এলাকাতেও ক্লাবগুলির তরফে পাড়ায় পাড়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জলসার আয়োজন করা হয়েছিল।
বছর শেষের আনন্দের এই ছবি দেখা গিয়েছে গঙ্গাপাড়ের আর এক শহর হুগলিতে। শ্রীরামপুরের হেরিটেজ উৎসবে বর্ষবরণের আয়োজন বাড়তি মাত্রা পেয়েছিল। বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গঙ্গায় জল সাফারি করতে ভিড় জমিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। গঙ্গার পাড় ধরে বিভিন্ন পিকনিক স্পট, দিল্লি রোডের ধারে ব্যান্ডেল, বৈদ্যবাটি, চণ্ডীতলার বিভিন্ন আমবাগানে দেখা গিয়েছে গিজগিজে কালো মাথার ভিড়। পিকনিক করতে আসা অনেকে বলেন, বছরের শেষদিন পরিবার নিয়ে পিকনিক করা মাস্ট। অনেকেই হয়ত রেস্তরাঁয় খেতে যান। তবে নদীর পাড়ে পিকনিকের আনন্দই অন্যরকম। চুঁচুড়া শহরের মতো গ্রামীণ এলাকাতেও ক্লাবগুলির তরফে পাড়ায় পাড়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জলসার আয়োজন করা হয়েছিল।



