নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পথ দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। কিন্তু তা সত্ত্বেও বছরের প্রথম মাসেই ৪৪টি দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে জেলায়। শুধু তাই নয়, জানুয়ারিতে জলপাইগুড়ি জেলায় ১২ জনের মৃত্যুও হয়েছে পথ দুর্ঘটনায়। এই অবস্থায় যেভাবেই হোক দুর্ঘটনার সংখ্যা কমাতে তৎপর জেলা পুলিস প্রশাসন।
Advertisement
সোমবার জেলাশাসক শমা পারভীনের নেতৃত্বে পথ নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক হয়। জেলাশাসকের কার্যালয়ে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত। বৈঠকে যোগ দেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিসের কর্তারা। জলপাইগুড়ি জেলায় ১৬টি ব্ল্যাক স্পট রয়েছে। সেগুলি নিয়ে এদিনের বৈঠকে বিশেষ করে আলোচনা হয়।
পুলিসের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর জানুয়ারি মাসে ৪৩টি দুর্ঘটনা ঘটে জলপাইগুড়ি জেলায়। ওই মাসে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৩ জনের। জখম হন ৫৪ জন। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জেলায় জানুয়ারি মাসে ৫৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মৃত্যু হয় ১০ জনের। জখম হন ৮৭ জন। সেই নিরিখে ২০২৩ সালের তুলনায় এবার জানুয়ারিতে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। একইভাবে গত বছরের তুলনায় এবার জানুয়ারিতে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা একটি বাড়লেও, একজনের মৃত্যু কম হয়েছে।
জেলার ট্রাফিক পুলিসকর্তারা অবশ্য বলছেন, নানা কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সংখ্যাটা কমিয়ে একেবারে শূন্যে নিয়ে আসাই মূল লক্ষ্য। জেলা পুলিস সুপার বলেন, জেলায় যেসব ব্ল্যাক স্পট রয়েছে, সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ি ও বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় হাম্প তৈরি হচ্ছে। জলপাইগুড়ি শহরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাস্তায় হাম্প বসানো হয়েছে। জেলার অন্যান্য শহরেও তা হবে। পুলিস সুপার আরও বলেন, একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ায় জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে। এখন শহর ও গ্রামীণ রাস্তায় দুর্ঘটনা কমানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।
পুলিসের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর জানুয়ারি মাসে ৪৩টি দুর্ঘটনা ঘটে জলপাইগুড়ি জেলায়। ওই মাসে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৩ জনের। জখম হন ৫৪ জন। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জেলায় জানুয়ারি মাসে ৫৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মৃত্যু হয় ১০ জনের। জখম হন ৮৭ জন। সেই নিরিখে ২০২৩ সালের তুলনায় এবার জানুয়ারিতে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। একইভাবে গত বছরের তুলনায় এবার জানুয়ারিতে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা একটি বাড়লেও, একজনের মৃত্যু কম হয়েছে।
জেলার ট্রাফিক পুলিসকর্তারা অবশ্য বলছেন, নানা কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সংখ্যাটা কমিয়ে একেবারে শূন্যে নিয়ে আসাই মূল লক্ষ্য। জেলা পুলিস সুপার বলেন, জেলায় যেসব ব্ল্যাক স্পট রয়েছে, সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ি ও বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় হাম্প তৈরি হচ্ছে। জলপাইগুড়ি শহরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাস্তায় হাম্প বসানো হয়েছে। জেলার অন্যান্য শহরেও তা হবে। পুলিস সুপার আরও বলেন, একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ায় জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে। এখন শহর ও গ্রামীণ রাস্তায় দুর্ঘটনা কমানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।



