নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক বছর কেটে গেলেও শহরের সরকারি বাস ডিপোতে ঠান্ডা জলের মেশিন বসল না। যদিও গত বছর সেপ্টেম্বরে পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, বাস যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সুলভে পানীয় জলের জোগান দিতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। তারপরই শহর কলকাতার বুকে সরকারি বাস ডিপোতে ঠান্ডা জলের মেশিন বা ওয়াটার এটিএম বসানোর তোড়জোর শুরু হয়েছিল। কলকাতার আটটি বাস ডিপোকে এজন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে ক্রেতারা ৫০০ মিলিলিটার এবং এক লিটার পরিস্রুত ঠান্ডা জল কিনতে পারবেন যথাক্রমে মাত্র ১ টাকা এবং ২ টাকায়। ওই আটটি ডিপো ছিল- কসবা, বালিগঞ্জ, কুঁদঘাট, টালিগঞ্জ, পার্ক সার্কাস, শ্যামবাজার, গড়িয়াহাট, গড়িয়া।
Advertisement
ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (ডব্লুবিটিসি) উদ্যোগে এই ওয়াটার এটিএম বসানোর কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ আজও দিনের আলো দেখেনি। যাত্রীদের অভিযোগ, শহর ও শহরতলি থেকে কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময়ই যাত্রীদের প্রচণ্ড জল তৃষ্ণা পায়। সরকারি ডিপোতে সুলভে জল কেনা গেলে তাঁদের উপকার হতো। কিন্তু অজানা কোনও কারণে সেই প্রকল্প কার্যকর হয়নি। ফলে চড়া দামে বাইরে থেকে জল কিনে পান করতে বাধ্য হচ্ছেন বহু যাত্রী।
পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য বায়ো টয়লেট এবং প্লাস্টিক বর্জ্র ফেলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। মন্ত্রী-আমলাদের নিয়মিত আনাগোনা থাকে কলকাতার কসবা পরিবহণ দপ্তরে। তাই পাইলট প্রকল্প হিসেবে স্রেফ সেখানেই বছর খানেক আগে ওয়াটার এটিএম চালু করা হয়েছিল। কর্মীদের অভিযোগ, মেশিন থাকলেও তার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঠান্ডা জলের মেশিন থেকে ঘণ্টায় ২৫০ লিটার পরিস্রুত পানীয় জল পাওয়ার কথা। তবে বাস্তবে এত বেগে জল বের হয় না বলেও খোদ পরিবহণ দপ্তরের কর্মীদের একাংশের দাবি। সব মিলিয়ে সরকারি বাস ডিপোগুলিতে পানীয় জলের সমস্যা রয়েই গিয়েছে। আদৌ সেখানে ওয়াটার এটিএম বসবে কি না, নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না বিভাগের শীর্ষ কর্তারাই।
পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য বায়ো টয়লেট এবং প্লাস্টিক বর্জ্র ফেলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। মন্ত্রী-আমলাদের নিয়মিত আনাগোনা থাকে কলকাতার কসবা পরিবহণ দপ্তরে। তাই পাইলট প্রকল্প হিসেবে স্রেফ সেখানেই বছর খানেক আগে ওয়াটার এটিএম চালু করা হয়েছিল। কর্মীদের অভিযোগ, মেশিন থাকলেও তার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব রয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঠান্ডা জলের মেশিন থেকে ঘণ্টায় ২৫০ লিটার পরিস্রুত পানীয় জল পাওয়ার কথা। তবে বাস্তবে এত বেগে জল বের হয় না বলেও খোদ পরিবহণ দপ্তরের কর্মীদের একাংশের দাবি। সব মিলিয়ে সরকারি বাস ডিপোগুলিতে পানীয় জলের সমস্যা রয়েই গিয়েছে। আদৌ সেখানে ওয়াটার এটিএম বসবে কি না, নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না বিভাগের শীর্ষ কর্তারাই।



