সংবাদদাতা, চাঁচল: মুখ চেপে লাল রংয়ের ছোটগাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণ! তারপর দুষ্কৃতীরা নাকি তাদের ছেড়েও দেয়। উদ্ধার হওয়া দুই স্কুল ছাত্রীর এমন বয়ানে হতচকিত পুলিস। লোকালয় থেকে কিভাবে অপহরণ হতে পারে, বিশ্বাসই হচ্ছিল না চাঁচল থানার আধিকারিকদের। পরে পুলিসের টানা জিজ্ঞাসাবাদে দুই ছাত্রীর মুখ থেকে বেরিয়ে এল আসল ঘটনা। বাবা মায়ের বকুনি থেকে রেহাই পেতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিল দুই ছাত্রী। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে শেষমেশ সত্য স্বীকার করেছে তারা। পরিবারের কাছে তাদের ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার চাঁচলের একটি গার্লস স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বাছাই পর্ব ছিল স্টেডিয়াম মাঠে। পাশেই পিকনিক উপলক্ষ্যে গান বাজছিল। স্টেডিয়ামের গ্যালারির নীচে শিক্ষিকাদের চোখের আড়ালে গানের তালে তালে নাচ করছিল পঞ্চম ও সপ্তম শ্রেণির এই দুই ছাত্রী। সেই নাচের ভিডিও তুলে তাদের বাবাকে বলে দেওয়ার ভয় দেখায় এক যুবক। তাতেই ভয়ে সিটিয়ে যায় ছাত্রীরা। প্রতিযোগিতা শেষে বাড়ি না গিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে পড়ে। সময়ে বাড়ি না আসায় উদ্বেগ ছড়ায় পরিবারে। অভিভাবকরা চাঁচল থানার দ্বারস্থ হন। পুলিসও হন্যে হয়ে খোঁজ চালায়। নিখোঁজের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে চাঁচল সদর থেকে ৮কিমি অদূরে মালতীপুরে ছাত্রীদের খোঁজ মেলে।
চাঁচল থানার পুলিস জানায়, ছাত্রীরা ভয়ে বাড়ি যাওয়ার সাহস পায়নি। হেঁটে জাতীয়সড়ক ধরে চলে যায় সামসিতে। সন্ধ্যে নামতেই বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করে। মালতীপুরে ট্রাফিকে কর্মরত সিভিকদের বলে, অপহৃত হয়েছিলাম। আমাদের একটা লাল গাড়ি করে তুলে নিয়ে যায়। ঘরেও বন্দিও করে রাখে। এই কথা শুনে পুলিস তাদের উদ্ধার করে থানায় আনে।
ছাত্রীদের মুখ থেকে অপহরণের গল্প শুনতেই পুলিসের সন্দেহ হয়। পুলিস চেপে ধরতেই ছাত্রীরা স্বীকার করে, আসলে বাবা মায়ের ভয়ে অপহরণের নাটক করেছিলাম। এই ব্যাপারে চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, বাবা মায়ের ভয়ে অপহরণের ফন্দি করে ছাত্রীরা। সন্তানদের সঙ্গে যাতে মানসিক দূরত্ব না হয়, সেজন্য অভিভাবকদের সচেতন করা হয়েছে। রাতে পরিবারের হাতে ছাত্রীদের তুলে দেওয়া হয়। ওই গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অসীমা ত্রিদেবী বলেন, এভাবে নাটক করা ঠিক নয়। আমি সামাজিক মাধ্যমেই রাতে বিষয়টি জানি। অভিভাবকদের ও সন্তানদের মধ্যে যাতে মানসিক দূরত্ব তৈরি না হয়, সেজন্য অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে কথা বলব।
চাঁচল থানার পুলিস জানায়, ছাত্রীরা ভয়ে বাড়ি যাওয়ার সাহস পায়নি। হেঁটে জাতীয়সড়ক ধরে চলে যায় সামসিতে। সন্ধ্যে নামতেই বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করে। মালতীপুরে ট্রাফিকে কর্মরত সিভিকদের বলে, অপহৃত হয়েছিলাম। আমাদের একটা লাল গাড়ি করে তুলে নিয়ে যায়। ঘরেও বন্দিও করে রাখে। এই কথা শুনে পুলিস তাদের উদ্ধার করে থানায় আনে।
ছাত্রীদের মুখ থেকে অপহরণের গল্প শুনতেই পুলিসের সন্দেহ হয়। পুলিস চেপে ধরতেই ছাত্রীরা স্বীকার করে, আসলে বাবা মায়ের ভয়ে অপহরণের নাটক করেছিলাম। এই ব্যাপারে চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, বাবা মায়ের ভয়ে অপহরণের ফন্দি করে ছাত্রীরা। সন্তানদের সঙ্গে যাতে মানসিক দূরত্ব না হয়, সেজন্য অভিভাবকদের সচেতন করা হয়েছে। রাতে পরিবারের হাতে ছাত্রীদের তুলে দেওয়া হয়। ওই গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অসীমা ত্রিদেবী বলেন, এভাবে নাটক করা ঠিক নয়। আমি সামাজিক মাধ্যমেই রাতে বিষয়টি জানি। অভিভাবকদের ও সন্তানদের মধ্যে যাতে মানসিক দূরত্ব তৈরি না হয়, সেজন্য অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে কথা বলব।



