Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বড়বাজারে হাওলা ব্যবসায়ীদের টাকা লুটের ছক কষেছিল ধৃতরা

বড়বাজারে হাওলা ব্যবসায়ীদের টাকা লুটের ছক কষেছিল ধৃতরা
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়বাজারের হাওলা ব্যবসায়ীরাই ছিল তাদের টার্গেট। একলপ্তে বড় অঙ্কের টাকা লুট করাই ছিল উদ্দেশ্য। বড়বাজার থেকে কলকাতা পুলিসের এসটিএফের হাতে ধৃত উত্তরপ্রদেশের তিন দুষ্কৃতীকে জেরা করে এই তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। জেরার মুখে ধৃতরা জানিয়েছে, হাওলার টাকা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানোর সময় অস্ত্র দেখিয়ে লুটের পরিকল্পনা করেছিল তাদের। সেকারণেই তারা ওই এলাকায় ইতস্তত ঘোরাঘুরি করছিল। তবে এই গ্যাংয়ের নিশানায় কোন কোন ব্যবসায়ী ছিলেন, তাঁদের কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
দিনকয়েক আগে রাত ১০টা নাগাদ বড়বাজার এলাকায় অস্ত্র সহ তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফের কর্মীরা। উদ্ধার হয় আইনজীবীর লোগো সাঁটা একটি গাড়ি। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন, হয়তো কোনও বাড়ি বা দোকানে ডাকাতির মতলবে তারা উত্তরপ্রদেশ থেকে এখানে এসেছিল। জেরার সময় অভিযুক্তরা প্রথমে গোটা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রশ্নের জালে জড়িয়ে পড়ায় শেষমেশ ফন্দির কথা কবুল করে। অভিযুক্তরা বলেছে, তাদের টাকার প্রয়োজন ছিল। হাতে কাজ না থাকায় তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করে। কিন্তু কোনও বাড়িতে বা আবাসনে ডাকাতি করলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সেই ঝুঁকি তারা নেয়নি। তাছাড়া বাড়ি বা ফ্ল্যাটে ডাকাতি করলে বড় অঙ্কের টাকা না মেলার সম্ভাবনাই বেশি। তারা জানতে পারে, বড়বাজার, পোস্তা এলাকায় হাওলার কারবার চলে। প্রতিদিন সেখানে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়। একাধিক ব্যবসায়ী এই কাজে জড়িত। এক জায়গার টাকা অন্য জায়গায় যায়। কর্মীরাই এই টাকা নিয়ে যান। কোটি টাকা লুটের লক্ষ্যেই তারা এরপর টার্গেট করে হাওলা ব্যবসায়ীদের। কোন কোন ব্যবসায়ী এই কারবার চালান, সেই তথ্য জোগাড় করে তারা। সূত্রের খবর, কয়েকজন ব্যবসায়ীর নাম ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। কলকাতায় আসার পর তারা হাওলা কারবারিদের গদিতে রেকি করে। কোন রুটে টাকা যায়, তাও জেনে নেয় তারা। ঠিক করে, মাঝরাস্তায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ওই টাকা লুট করবে। দ্রুত পালানোর জন্যই তারা উত্তরপ্রদেশ থেকে গাড়ি নিয়ে এসেছিল। এই কায়দায় পরপর লুটের পরিকল্পনা ছিল তাদের। এর আগে তারা কোনও হাওলা ব্যবসায়ীর টাকা লুট করেছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ