নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পানীয় জল উৎপাদন প্রকল্পে জমা হওয়া সিল্ট বা পলিমাটি এবার বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি পুরসভার মেয়র পরিষদের বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। বিক্রির জন্য এই পলিমাটির নির্দিষ্ট দরও ধার্য করা হয়েছে। এতদিন শুধুমাত্র পলতার জল উৎপাদন প্রকল্প (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) ছাড়া অন্যান্য প্রকল্পের পলিমাটি বিক্রির কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। জলপ্রকল্পে পড়ে থাকা এই মাটি বিভিন্ন সরকারি জমিতে ফেলা হতো বা ইটভাটার মালিকদের বিক্রি করে দেওয়া হতো। বর্তমানে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এই মাটি কিনে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই একটি নির্দিষ্ট দর বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক ‘মিটার কিউব’ মাটির দাম ধরা হয়েছে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সা। পরিস্থিতি বিশেষে দাম হেরফের হবে।
Advertisement
কলকাতা পুরসভার আওতায় পলতায় ইন্দিরা গান্ধী ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, গার্ডেনরিচ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ধাপায় জয় হিন্দ জলপ্রকল্প, জোড়াবাগান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এবং ওয়াটগঞ্জ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চলে। সেখানে পরিস্রুত পানীয় জল উৎপাদনের পর পড়ে থাকে সিল্ট। এই বিপুল পরিমাণ পলিমাটি নিয়ে কী করা হবে, তা পুর কর্তৃপক্ষের অন্যতম মাথাব্যথার কারণও বটে। এছাড়া, গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ এবং আলিপুরে অরফ্যানগঞ্জ রোডে নতুন দু’টি জলপ্রকল্প গড়তে চলেছে পুরসভা। বর্তমানে পলতা জলপ্রকল্পের পলিমাটি স্থানীয় একাধিক ইটভাটা এবং অন্যান্য সংস্থাকে বিক্রি করা হয়। অন্য প্রকল্পের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট বিধি নেই। শুধু ধাপাতেই বছরে ১২ হাজার মিটার কিউব সিল্ট জমা হয়। তার বেশিরভাগটাই বিভিন্ন সরকারি জমিতে ফেলা হয়। কিন্তু সার্বিকভাবে কোনও নিয়ম এতদিন ছিল না।
পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ বিভাগের এক কর্তা বলেন, ‘কেউ কখনও চাইলে তাকে সিল্ট বিক্রি করা হতো। তার বাইরে পুরোটাই সরকারি বিভিন্ন জমিতে ফেলা হতো। এখন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই পলিমাটি বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পলতা জলপ্রকল্পের মাটির যে দাম ( মিটার কিউব প্রতি ৩৫ টাকা ৬০ পয়সা), সেই দরই সর্বত্র চালু হচ্ছে।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘এটা শুধু পলিমাটির দাম। এর বাইরে মাটি কাটা, লোডিং-আনলোডিং, বহন ইত্যাদির খরচ রয়েছে।’
পুরকর্তাদের আশা, পলিমাটি বিক্রি করে ভালো পরিমাণ অর্থ ঢুকবে পুর-ভাঁড়ারে। বার্ষিক কত রোজগার হতে পারে? সূত্রের খবর, কোন জল উৎপাদন প্রকল্পে কতটা পলিমাটি প্রতি মাসে তৈরি হয়, তার নির্দিষ্ট হিসেব এতদিন ছিল না। তা জানতে সমীক্ষা করা হচ্ছে। পলতার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের সিল্ট বিক্রি করে বছরে ১৮ লক্ষ টাকা আয় হয়। বাকি প্রকল্পগুলির পলিমাটি বিক্রি করা গেলে আরও অর্থ আসবে।
পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ বিভাগের এক কর্তা বলেন, ‘কেউ কখনও চাইলে তাকে সিল্ট বিক্রি করা হতো। তার বাইরে পুরোটাই সরকারি বিভিন্ন জমিতে ফেলা হতো। এখন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই পলিমাটি বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পলতা জলপ্রকল্পের মাটির যে দাম ( মিটার কিউব প্রতি ৩৫ টাকা ৬০ পয়সা), সেই দরই সর্বত্র চালু হচ্ছে।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘এটা শুধু পলিমাটির দাম। এর বাইরে মাটি কাটা, লোডিং-আনলোডিং, বহন ইত্যাদির খরচ রয়েছে।’
পুরকর্তাদের আশা, পলিমাটি বিক্রি করে ভালো পরিমাণ অর্থ ঢুকবে পুর-ভাঁড়ারে। বার্ষিক কত রোজগার হতে পারে? সূত্রের খবর, কোন জল উৎপাদন প্রকল্পে কতটা পলিমাটি প্রতি মাসে তৈরি হয়, তার নির্দিষ্ট হিসেব এতদিন ছিল না। তা জানতে সমীক্ষা করা হচ্ছে। পলতার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের সিল্ট বিক্রি করে বছরে ১৮ লক্ষ টাকা আয় হয়। বাকি প্রকল্পগুলির পলিমাটি বিক্রি করা গেলে আরও অর্থ আসবে।



