Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জনতার আশীর্বাদ পাবে তৃণমূল, আশা বসিরহাট দক্ষিণের প্রার্থী সুরজিতের

বসিরহাট দক্ষিণ। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের সময়ে এই কেন্দ্রে বিজেপি ছিল প্রান্তিক শক্তি। কোনোরকমে গেরুয়া দলের প্রার্থী হাজার সাতেক ভোট টেনেছিলেন

জনতার আশীর্বাদ পাবে তৃণমূল, আশা বসিরহাট দক্ষিণের প্রার্থী সুরজিতের
  • ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বসিরহাট: বসিরহাট দক্ষিণ। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের সময়ে এই কেন্দ্রে বিজেপি ছিল প্রান্তিক শক্তি। কোনোরকমে গেরুয়া দলের প্রার্থী হাজার সাতেক ভোট টেনেছিলেন। কিন্তু এরপর ২০১৪ সালের উপনির্বাচনে হঠাৎ ভোলবদল। বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সেবার পেয়েছিলেন প্রায় ৭১ হাজার ভোট। মার্জিন কম হলেও হাজার দেড়েক ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী দীপেন্দু বিশ্বাসকে পিছনে ফেলে দেন তিনি। যদিও ঘুরে দাঁড়াতে দেরি করেনি তৃণমূল। ২০১৬ সালেই রাজ্যের শাসকদল এই কেন্দ্রের দখল নেয়, দীপেন্দু বিশ্বাস জেতেন প্রায় ২৪ হাজার ভোটে। তারপর থেকে এই আসন তৃণমূলের দখলে। এবার এখান থেকে তৃণমূল প্রার্থী করছে সুরজিৎ মিত্র ওরফে বাদলকে। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী করেছে ডাঃ শৌর্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সিপিএম ও কংগ্রেস প্রার্থী দিলেও ভোট বাক্সে তার কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Advertisement

এলাকাবাসীরা মনে করছেন, আসনটি এবারও তৃণমূলের দখলেই থাকবে। কারণ এবার তাদের প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র ওরফে বাদল এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় তাঁকে। বাম জমানায় এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনে অংশ নেন এবং ছাত্র সংসদের সভাপতিও হন। তিনি তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।
অন্যদিকে ডাঃ শৌর্য বন্দ্যোপাধ্যায় টিভিতে বিভিন্ন বিতর্ক সভায় বিজেপির হয়ে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু বসিরহাটের এক আইনজীবীর করা আরটিআই থেকে জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলে তাঁর নাম নথিভুক্ত নেই। যদিও শৌর্যবাবু স্পষ্ট জানিয়েছেন, ২০০৭ সালে নেপালের পোখরায় অবস্থিত মণিপাল কলেজ অফ মেডিকেল সাইন্স থেকে এমবিবিএস পাশ করেছি। ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল থেকে কোনো নোটিস এলে তিনি জবাব দিতে রাজি। 
শৌর্যবাবুর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বাম ও তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। কিন্তু বসিরহাটের সার্বিক কোনো উন্নয়ন করতে ব্যর্থ তাঁরা। এমনকী এই সীমান্ত শহরের নিরাপত্তা নিয়েও তাঁরা কিছু ভাবেননি। তাই বসিরহাট স্টেশনের আধুনিকীকরণ সহ এই এলাকার সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে এবং তৃণমূলের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ এবার বিজেপিকেই সমর্থন করবে।
আর সুরজিৎ মিত্র বলেন, আমি এলাকার ছেলে। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছি। আমার স্ত্রী পুর প্রতিনিধি। সুতরাং বসিরহাটের বাসিন্দাদের সমস্যাগুলি আমার নখদর্পণে। এলাকার বাসিন্দারা তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আস্থা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করবেন বলে আমি আশাবাদী।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ