Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাসন্তীর আইসিকে সাসপেন্ড ও রানাঘাট-১’এর বিডিওকে শো-কজ

কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালকে শুক্রবার সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনি প্রক্রিয়া চলাকালীন এই প্রথম ইনস্পেক্টর পর্যায়ের কোনো আধিকারিক শাস্তির কোপে।

বাসন্তীর আইসিকে সাসপেন্ড ও রানাঘাট-১’এর বিডিওকে শো-কজ
  • ২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালকে শুক্রবার সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনি প্রক্রিয়া চলাকালীন এই প্রথম ইনস্পেক্টর পর্যায়ের কোনো আধিকারিক শাস্তির কোপে। বৃহস্পতিবার বাসন্তীতে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এক এসআই। তাঁকে মাটিতে ফেলে পেটানো হয়। সবমিলিয়ে হামলার শিকার হন আট পুলিশ কর্মী। কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরস্পর বিরোধী দুটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে, এমন খবর থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে ব্যর্থ হয়েছেন আইসি। বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, সাসপেন্ডের সঙ্গে অভিজিৎ পালের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বাসন্তীর নতুন আইসি করা হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের ইনস্পেক্টর প্রবীর ঘোষকে। এদিন রাত ৯টার মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। বাসন্তীর ওই সংঘর্ষের ঘটনায় এদিন পর্যন্ত মোট ন’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

Advertisement

এদিকে ভোট কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এদিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রানাঘাট-১ নম্বর ব্লকের দেবনাথ ইনস্টিটিউট অব বয়েজ স্কুল। অভিযোগ, প্রশিক্ষণ নিতে আসা প্রাথমিক স্কুলের ওই শিক্ষক সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে মারধর করা হয়। আরও অভিযোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি কেন, তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন তিনি। এই ঘটনায় অভিযোগের তির স্থানীয় বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যের দিকে। কমিশন তাঁর কাছ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চেয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলার মাঝে কমিশন যে ১২ জনকে আইএএস অফিসারকে বদলি করার নির্দেশ দিয়েছিল, তাঁদের অন্যপদে নিযুক্তির বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। কমিশনের নির্দেশ মেনেই এই নিযুক্তি। এদিনই অপর এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের সমস্ত এসডিপিও’দের জরুরি ১৬টি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম, আগের নির্বাচনগুলিতে হিংসাত্মক সমস্ত ঘটনার মামলার চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট দিয়ে তা বন্ধ করতে হবে। জামিন অযোগ্য সমস্ত ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে। যদি কোথাও লুটকআউট নোটিস জারি করার প্রয়োজন হয়, তা করতে হবে। চিহ্নিত দাগী, হিস্ট্রি শিটার ও গুন্ডাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ