বার্সেলোনা- ৬ : আলাভেস- ১
বার্সেলোনা: ঘরের মাঠে এল ক্লাসিকোয় হারের ধাক্কা কাটিয়ে লা লিগায় জয়ে ফিরল বার্সেলোনা। শনিবার লা লিগায় আলাভেসকে হাফ ডজন গোলের মালা পরাল হান্স ফ্লিকের ছেলেরা (৬-১)। ম্যাচে জোড়া লক্ষ্যভেদ রাফিনহা ও ইয়ামালের। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন ফারমিন লোপেজ ও অ্যান্টনি গর্ডন। আলাভেসের একমাত্র গোলটি মারিয়ানো ডিয়াজের। এই জয়ের সুবাদে লিগ তালিকায় শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করল বার্সেলোনা (১১ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট)। সমসংখ্যক ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
চলতি মরশুমের শুরুটা দারুণ করেছিল বার্সেলোনা। প্রায় প্রতি ম্যাচেই বড়ো ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। তবে গত দেড় সপ্তাহে হঠাৎই ঘটে ছন্দপতন। প্রথমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি’র কাছে ২-৪ ব্যবধানে বশ মানা। তারপর মর্যাদার এল ক্লাসিকোয় ঘরের মাঠে হার। এই জোড়া ধাক্কায় বেশ বেসামাল দেখায় রড্রিদের। এমন পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়াতে ঘরের মাঠে আলাভেসের বিরুদ্ধে বড়ো জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলেন ইয়ামালরা। জাতীয় শিবিরে থাকাকালীন হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে বেশ কয়েকদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল রাফিনহাকে। তার জেরে কিছুটা ছন্দ হারান এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। তবে শনিবার আবারও চেনা মেজাজে ধরা দিলেন তিনি। ম্যাচের ৮ মিনিটে তাঁর গোলেই লিড নেয় বার্সা। বাঁদিক থেকে ফারমিন লোপেজের ক্রসে সহজেই জাল কাঁপান রাফিনহা। উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ১৪ ম্যাচে ৫৭বার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপালেন বার্সা অ্যাটাকাররা। এর মধ্যে রাফিনহার একারই লক্ষ্যভেদের সংখ্যা ১৭।
প্রথমার্ধেই ম্যাচ কার্যত পকেটে পুরে নেয় বার্সা। ২৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান লোপেজ। ৪১ মিনিটে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি সেরে ফেলেন রাফিনহা। আর সংযোজিত সময়ে ৪-০ করেন ইয়ামাল। বিরতির পর একইভাবে বিপক্ষের বক্সে চাপ বজায় রাখে বার্সা। ৬৪ মিনিটে ফের একবার জাল কাঁপান ইয়ামাল। আর ৮১ মিনিটে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন অ্যান্টনি গর্ডন। ৬ গোলে লিড নেওয়ার পর অবশ্য শেষ মুহূর্তে এক গোল হজম করে বার্সা। ফলে বড়ো জয়ের দিনেও রক্ষণের ক্লিনশিট রেখে মাঠ ছাড়তে না পারাটা অবশ্যই চিন্তায় রাখবে কোচ হান্স ফ্লিককে।



