নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সরকারি স্বাস্থ্যনীতি না মেনে, নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছিল চিকিৎসা। তদন্তে এই অভিযোগের আংশিক ‘সত্যতা’ মেলায় বারাসতের প্রতিষ্ঠিত নার্সিংহোম ‘কেয়ার অ্যান্ড কিওর’কে রাজ্যের হেলথ স্কিমের তালিকা থেকে সাময়িক সাসপেন্ড করল রাজ্যের অর্থদপ্তরের মেডিক্যাল সেল। জানা গিয়েছে, তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেবেন দপ্তরের কর্তারা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পের (হেলথ স্কিম) সুবিধাভোগীরা এই বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছিলেন। রাজ্যের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অমান্য করা, রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পের অধীনে থাকা রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি নিতে অস্বীকার করা, অতিরিক্ত বিল সহ বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ে ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রোগীর পরিবারকে রসিদ না দেওয়া, ইনডোর রোগীদের বিল তৈরি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ না করারও অভিযোগ উঠেছিল এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। রাজ্যের অর্থদপ্তরের মেডিক্যাল সেল তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে যে প্রমাণ পেয়েছে, তার ভিত্তিতে বারাসতের ‘কেয়ার অ্যান্ড কিওর’ নামের ওই নার্সিংহোমকে বৃহস্পতিবার সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে তাদের সঙ্গে রাজ্যের হেলথ স্কিমের চুক্তি বাতিল হয়ে গেল। স্বভাবতই এই হেলথ স্কিমের অধীনে এখানে কোনও রোগী ভর্তি হতে পারবেন না।
এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের কর্ণধার ডাঃ তপনজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্বাস্থ্য প্রকল্পে রাজ্য সরকার যা টাকা দেয়, তাতে কাজ করা যায় না। সাসপেন্ড করেছে। কী আর করা যাবে।