Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড হাতিয়ে ৮ লক্ষ তছরুপ, ধৃত ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজার

খোদ ব্যাংক আধিকারিকের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠল। চেতলা থানা এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে।

গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড হাতিয়ে ৮ লক্ষ তছরুপ, ধৃত ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজার
  • ১১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খোদ ব্যাংক আধিকারিকের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠল। চেতলা থানা এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড হাতিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ব্রাঞ্চের খোদ ডেপুটি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজার। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বেসরকারি ব্যাংক আধিকারিকের নাম মমতা কুমারী (৩৭)। উত্তরপ্রদেশের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা তিনি। রবিবার সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই উত্তরপ্রদেশের বালিয়া আদালতে পেশ করা হয় মমতা কুমারীকে। সোমবার ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়।

Advertisement

লালবাজার সূত্রে খবর, চেতলা থানা এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় কর্মরতা মমতা কুমারী। এক গ্রাহককে ক্রেডিট কার্ড করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বাড়িতে কার্ড পৌঁছালে তা নিয়ে একবার ব্যাংকে আসবেন। তখন কার্ডটিকে ‘অ্যাক্টিভ’ করে দেওয়া হবে। গ্রাহক সেই কার্ড ব্যাংক আধিকারিকের কাছে নিয়ে এলে তিনি বলেন, কার্ডটি রেখে যেতে হবে। এরপর সেই কার্ডের তথ্য হাতিয়ে নেন মমতা কুমারী। তা দিয়ে ১ লক্ষ টাকার জিনিস কেনাকাটা করেন অভিযুক্ত। একইসঙ্গে, ওই গ্রাহকেরই সই জালও করা হয়। তা দিয়ে গ্রাহকের ফিক্সড ডিপোজিট থেকে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তুলে নেন ডেপুটি ম্যানেজার। ফিক্সড ডিপোজিটের তথ্য যাচাই করে গ্রাহক জানতে পারেন, সব টাকাই তুলে নেওয়া হয়েছে। এরপর ব্যাংকে ও চেতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত গ্রাহক। তার ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তভার হাতে নেয় লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের ব্যাংক জালিয়াতি দমন শাখা। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, কেনাকাটার জন্য গ্রাহকের এটিএম কার্ডের তথ্য ব্যবহার করেছিলেন ব্যাংকের ওই ডেপুটি ম্যানেজার। আইপি অ্যাড্রেসে তাঁর বাড়ির ওয়াইফাই-এর লিংক মিলেছে। শুধু তাই নয়, গ্রাহকের চেকে সই জাল করে বিপুল অঙ্কের টাকা জালিয়াতির নেপথ্যেও এই ডেপুটি ম্যানেজারের ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পায় পুলিশ। জানা যায়, জালিয়াতির উদ্দেশ্যে ব্যাংকের একাধিক তথ্য ব্যবহার করেছে অভিযুক্ত তরুণী।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ