নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: ব্যাংক ঋণের ২৪ লক্ষ টাকা শোধ করতে না পারায় হালিশহর টাউন তৃণমূলের সভাপতি তথা প্রাক্তন কাউন্সিলার প্রবীর সরকারের বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ব্যাংক। শুক্রবার বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে বাড়িতে থাকা খাট, আলমারিসহ সমস্ত জিনিসপত্র বার করে দিয়ে বাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এসব দেখতে মানুষের ভিড় জমে যায়। কেউ কেউ বিক্ষোভও দেখান। কয়েকজনের অভিযোগ, রেলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তিনি অনেকের থেকে টাকা নিয়েছেন। এখন সেই টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন বলেও জানিয়েছেন।
এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, রেলে চাকরি দেওয়ার জন্য ১১ জনের কাছ থেকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন প্রবীরবাবু। কিন্তু কেউ চাকরি পাননি। টাকা ফেরানোর জন্য চাপ দিলে তিনি কিছুদিন আগে লোক মারফত জানিয়েছেন, টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন। কারও থেকে ৫০ হাজার, কারও থেকে ১ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে প্রবীর সরকারের বিরুদ্ধে।তৃণমূল আমলে রীতিমতো দাপুটে নেতা ছিলেন প্রবীর। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। বিধানসভা ভোটের পর থেকেই বেপাত্তা প্রবীরবাবু। তাঁর বক্তব্য পাওয়ার কোনো উপায় কার্যত নেই। তবে এই ঘটনায় হালিশহরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ভোটের পর থেকেই হালিশহর, কাঁচরাপাড়া এলাকার বেশ কয়েকজন তৃণমূল পদাধিকারী ও নেতা এলাকা থেকে উধাও হয়েছেন।