Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহারে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৩ হাজার উপভোক্তা

কেন্দ্রের টাকা না পাওয়ার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গরিব মানুষের বাড়ি বানানোর জন্য টাকা রাজ্য সরকারই দেবে

কোচবিহারে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৩ হাজার উপভোক্তা
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কেন্দ্রের টাকা না পাওয়ার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গরিব মানুষের বাড়ি বানানোর জন্য টাকা রাজ্য সরকারই দেবে। সেই মতো সমীক্ষা শেষে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে কিছুদিন আগেই। উপভোক্তারা নিজেদের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাওয়ার পর থেকে বাড়ি তৈরির কাজও শুরু করে দিয়েছেন। কোচবিহার জেলায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পের ৬০ হাজার টাকা করে পেয়েছেন মোট প্রায় ১ লক্ষ ১৩ হাজার উপভোক্তা। এই টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। আর টাকা পাওয়ার পর মোট উপভোক্তার ৯৬ শতাংশ ইতিমধ্যেই বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বাড়ি তৈরির কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে রীতিমতো নজরদারি চালানো হচ্ছে। 

Advertisement

কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন দত্ত বলেন, প্রায় ১ লক্ষ ১৩ উপভোক্তা ৬০ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। পার্মানেন্ট ওয়েট লিস্টে ১ লক্ষ ৮০ হাজার নাম রয়েছে। তবে এর কোনও অনুমোদন এখনও আসেনি। 
তিনি আরও বলেন, যাঁরা টাকা পেয়েছেন তাঁদের ফোন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সুপার চেকিং হচ্ছে। বাড়ি তৈরির সামগ্রী কিনেছেন কি না, সেটিও দেখা হচ্ছে। এছাড়াও নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে চেকিং হচ্ছে। যাঁরা টাকা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৯৬ শতাংশ উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেছেন। মাত্র চার শতাংশ উপভোক্তা বাড়ির কাজ শুরু করতে পারেননি। 
কেন্দ্র আবাসের টাকা না দেওয়ার পর জেলাজুড়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ করে তা দিল্লি পাঠানো হয়েছিল। রাজ্যের শাসক দল এসব নিয়ে আন্দোলনেও শামিল হয়েছিল। কিন্তু তারপরও টাকা আসেনি। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার এই টাকার ব্যবস্থা করলে অন্যান্য জেলার মতো কোচবিহারেও টাকা আসে। সেই টাকা দিয়েই কোচবিহারের মতো প্রান্তিক জেলার ১ লক্ষ ১৩ গ্রামীণ এলাকার মানুষ বাড়ি তৈরির টাকা পেয়ে তার কাজও শুরু করে দিয়েছেন। 

সম্পর্কিত সংবাদ