Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মোটা টাকায় লিঙ্কম্যানদের বাড়িতে বাসা বাংলাদেশিদের

উন্মুক্ত সীমান্ত এলাকায় পোয়াবারো ভারতীয় লিঙ্কম্যানদের।

মোটা টাকায় লিঙ্কম্যানদের বাড়িতে বাসা বাংলাদেশিদের
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হবিবপুর: উন্মুক্ত সীমান্ত এলাকায় পোয়াবারো ভারতীয় লিঙ্কম্যানদের। মোটা টাকার বিনিময়ে ভারতীয় লিঙ্কম্যানদের ডেরায় কিছুদিন কাটিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় বারবার ধরা পড়ছে বাংলাদেশিরা।  গত একমাসে এরকম বেশকিছু অনুপ্রবেশকারী ও লিঙ্কম্যান ধরা পড়ার পর বাড়তি সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি নজরদারি বাড়াচ্ছে পুলিশ  ও বিএসএফ। অনুপ্রবেশকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে গত মঙ্গলবার এক ভারতীয় যুবককে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে। হবিবপুর ব্লকের কেদারিপাড়া, পান্নাপুর, জগজীবনপুর সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এবার ভারতীয় লিঙ্কম্যানদের খোঁজে শুরু হয়েছে নজরদারি।

Advertisement

ব্লকের অনুরাধাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে টিকাপাড়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নেই। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন গবাদি পশু পাচারও সামনে আসছে।

সম্প্রতি জগজীবনপুর বিওপি এলাকা থেকে বেশকিছু মহিষ ও গরু পাচার আটকে দেয় বিএসএফ। পাশাপাশি,একাধিকবার সীমান্ত পার হতে গিয়ে প্রায় ১৫ জন অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে বিএসএফের হাতে। উঠে এসেছে কয়েকজন লিঙ্কম্যানের নামও। ফলে এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ে চিন্তায় বাসিন্দারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, বাংলাদেশ থেকে যুবকেরা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করার জন্য দালালের মারফত সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে। এরপর দালালেরা তাদের রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকের কাজে পাঠাচ্ছে। ভারতীয় কিছু লিঙ্কম্যানও তাদের ডেরায় আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশিদের। তার জন্য মিলছে মোটা টাকা। কয়েক মাস এভাবে ভারতে কাটানোর পর ফিরে যায় ওই অনুপ্রবেশকারীরা।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা কৈলাস সরকার বলেন, ভারতীয় কেউ সহযোগিতা না করলে বাংলাদেশিরা সীমান্ত পেরিয়ে আসার সাহস পাবে না। গত মঙ্গলবার ভারতীয় লিঙ্কম্যান গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা সেটাই প্রমাণ করে দিয়েছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন, পুলিশকে আরও সজাগ হতে হবে।

হবিবপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই বাসিন্দাদের খবর দিতে বলা হচ্ছে। এছাড়া লিঙ্কম্যানদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ