দুবাই: কুড়ি ওভারের আসরে বাংলাদেশের কাছে হারের পর কেটেছে তিন বছর। দু’দলের শেষ আট সাক্ষাতেই জিতেছে ভারত। মহিলাদের এশিয়া কাপের সেমি-ফাইনালে পদ্মাপারের দেশের মুখোমুখি হওয়ার আগে তাই ফেভারিট দেখাচ্ছে হরমনপ্রীত কাউর ব্রিগেডকেই। তবে ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। তাই আত্মতুষ্টির কোনো জায়গা নেই। বিশেষ করে টিম ইন্ডিয়ার মিডল অর্ডার রানের মধ্যে নেই। দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মাই টানছেন দলকে।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এই ম্যাচের গুরুত্বও অন্যরকম। ভারতের পুরুষ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর বেশ কয়েকবার স্থগিত হয়েছে। উত্তপ্ত আবহে এই ম্যাচ নিছক বাইশ গজেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। তবে হরমনপ্রীতরা ক্রিকেটের বাইরে অন্যকিছু মাথায় আনছেন না। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশের কাছে অতীতে ভারতের পরাজয়ের নেপথ্যে বড়ো ভূমিকা ছিল ব্যাটিং ব্যর্থতার। এবারও ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। তিন নম্বরে সুযোগ পাওয়া প্রতীকা তিন ইনিংসে করেছেন মোট ৩৬। ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীতের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা আরও কম, ৩৩। তবে স্মৃতি ও শেফালির সৌজন্যে উতরে গিয়েছে ভারত। তিন ম্যাচে স্মৃতির সংগ্রহ ১৫২। মহিলাদের টি-২০ আন্তর্জাতিকে সর্বাধিক রানের রেকর্ড গড়তে বাঁ-হাতি ওপেনারের দরকার আর ৬৯ রান।
অন্যদিকে, নিগর সুলতানার নেতৃত্বে ‘টাইগার’দের অস্ত্র বোলিংই। পেসার মারুফা আকতারের সুইংয়ে আস্থা রাখবে বাংলাদেশ। এবারের আসরে তাদের বোলাররা রয়েছেন উইকেটের মধ্যেও। অবশ্য ভারতীয় স্পিনাররা রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। তিন ম্যাচে শ্রী চরণি, দীপ্তি শর্মা ও প্রেমা রাওয়াত মিলিতভাবে নেন ২১ উইকেট। টস জিতে ব্যাট করতেই চাইছেন ক্যাপ্টেনরা। কারণ চলতি আসরে ১২ ম্যাচের মধ্যে আটটিতেই প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে।
খেলা শুরু রাত ৮টায়।
সম্প্রচার সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কে।