নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বৈদ্যবাটির এক বাসিন্দার বিরুদ্ধে। আবাসের তৃতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তারপরেই তদন্ত শুরু করেছে বৈদ্যবাটি পুরসভা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুরকর্তাদের দাবি, স্থানীয় স্তরে কোনও যোগসাজশের মাধ্যমে ওই ঘটনা ঘটেছে। ওই বাসিন্দা তাঁর বাড়ির পাশের ফাঁকা জায়গাকে দেখিয়ে টাকা নিয়েছেন। বৈদ্যবাটি পুরসভার পুরপ্রধান পিন্টু নাগ বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বেআইনি কাজ হয়ে থাকলে আইন মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। তবে এখনই এনিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। স্থানীয় ও পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ধানমাঠ এলাকায় ওই অনিয়ম হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দা শেফালি ভঞ্জের পাকা বাড়ি আছে। কিন্তু তাতে কংক্রিটের ছাদ দেওয়া ছিল না। সেই ছাদ দিতেই তিনি বেআইনিভাবে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলার রত্না দাসের দিকেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে। যদিও রত্নাদেবী বলেন, এলাকায় ২০০ বাড়ি হচ্ছে। প্রতিটি বাড়ি কাউন্সিলার নিজে তদন্ত করে দেখবেন, সেটা সম্ভব নয়।



