Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্লাটিনাম বর্ষে পাঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির থিম করে চমক বহরমপুরের অভ্যুদয় ক্লাবের

প্লাটিনাম বর্ষে ‘সোনার’ চমক দিচ্ছে বহরমপুরের অভ্যুদয় ক্লাব। এবার পুজো কমিটির থিম ভাবনায় দুর্গামণ্ডপে উঠে আসছে পাঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির

প্লাটিনাম বর্ষে পাঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির থিম করে চমক বহরমপুরের অভ্যুদয় ক্লাবের
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: প্লাটিনাম বর্ষে ‘সোনার’ চমক দিচ্ছে বহরমপুরের অভ্যুদয় ক্লাব। এবার পুজো কমিটির থিম ভাবনায় দুর্গামণ্ডপে উঠে আসছে পাঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির। ৫৫ ফুট উচ্চতার ‘গোল্ডেন টেম্পলের’ আদলে তৈরি মণ্ডপের দেওয়ালে থাকছে কাপড়, প্লাই, রং ও থার্মোকলের নিখুঁত বুননের কারুকার্য। স্বর্ণমন্দিরের খুঁটিনাটি তুলে ধরতে প্রায় দেড় মাস ধরে মণ্ডপ সজ্জার কাজ চলছে। স্বর্ণ মন্দিরের ভিতরে মাটির সাজে সাবেকি আদলের ১৬ ফুট উচ্চতার দেবী দুর্গা থাকছেন স্বপরিবারে। দর্শনার্থীদের স্থায়ী কংক্রিকেটের সিঁড়ি বেয়ে প্রবেশ করতে হবে প্রতিমা দর্শনে। উদ্যোক্তাদের দাবি, মন্দিরের ভিতরের কারুকার্য দর্শনার্থীদের অভিভূত করবে। 

Advertisement

পুজো কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ মিশ্র(কানাই) বলেন, বহরমপুর শহরে অভ্যুদয় ক্লাব খেলার জগতে বহু আগে থেকেই খ্যাতির শিখরে রয়েছে। ক্লাবের সারাবছরের সামাজিক কাজকর্ম বহু জায়গায় প্রশংসিত। দুর্গাপুজো আমরা সম্পূর্ণ উৎসবের আঙ্গিকে সাজিয়ে আসছি। শারদোৎসবেও আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। 
বহরমপুর শহরে থিমের দুর্গাপুজোর প্রচলনে অভ্যুদয় ক্লাবের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। স্বর্ণময়ী বাজার বলতেই উঠে আসে এই ক্লাবের নাম। ডিজনি ওয়ার্ল্ড, কেদারনাথ, বদ্রীনাথের আদলে পুজো মণ্ডপ, মণিপুরি সাজের প্রতিমা অভ্যুদয় ক্লাবকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। ক্লাবের সভাপতি বৈদ্যনাথ মিশ্র বলেন, আমাদের পূর্বজরা ক্লাবের দুর্গাপুজোকে যে খ্যাতির শিখরে নিয়ে গিয়েছেন, আমাদের প্রজন্মের লক্ষ্য সেই আদর্শ সেই সংস্কৃতির মান ধরে রাখা। ঊর্ধ্বগামী করা। ক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা তিন শতাধিক। দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়লেই সদস্য পরিবারবর্গ মিলন উৎসবে মেতে ওঠেন। ক্লাব পরিচালন সমিতির দাবি, পুজো ও ক্লাবের যে কোন কর্মকাণ্ডে মতাদর্শ এক এবং অভিন্ন। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ রমেশ বিশ্বাস বলেন, বাইরে অনেকের রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু, ক্লাবের কাজে সবাই একসূত্রে গাঁথা। যাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়, একবাক্যে পালন করে বলেই অভ্যুদয়ের গরিমায় আজও ধুলো পড়েনি। চতুর্থীর দিন দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপের দরজা খুলে দেওয়া হবে। অভিজিৎবাবু বলেন, জেলা প্রশাসনের শীর্ষকর্তা জেলাশাসক এবং জেলার পুলিশ সুপারের হাত দিয়েই আমরা উদ্বোধনের চেষ্টা করছি। পুজো উপলক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ছোটদের উৎসাহ দিতে থাকছে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, বস্ত্র বিলি, রক্তদান শিবির। ক্লাব কর্তাদের দাবি, শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার পাশে থাকায় আমাদের লক্ষ্য। ক্লাবের সদস্য উৎস পাল বলেন, লক্ষ দর্শনার্থীর ভিড় সামাল দিতে আমাদের ‘ব্লু প্রিন্ট’ তৈরি। উৎসবের বর্ণময় আলোকে সেজে উঠবে মণ্ডপ, স্বর্ণময়ী এলাকা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ