সংবাদদাতা, বহরমপুর: দুই জায়ে ঝগড়ার মাঝে জায়ের মেয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ায় অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক গৃহবধূ। গত ১৮ জানুয়ারির ঘটনায় বহরমপুর শহরের গির্জার মোড় থেকে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে আনেন মৃতের দাদা। সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়। মৃতের নাম শয়ন ঘোষ(৩০)। বাড়ি নবগ্রাম থানার ছোট বাথান।
Advertisement
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। ১৮ জানুয়ারি শয়ন ঘোষের সঙ্গে তাঁর জায়ের ঝগড়া শুরু হয়। উত্তেজিত অবস্থায় জায়ের মেয়ে কাকিমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। অভিমানে শ্বশুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বহরমপুরে মধুপুর এলাকায় বাপের বাড়ি আসছিলেন তিনি। এদিকে বাপের বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবারের দাবি, বহরমপুর আসার আগেই কীটনাশক খেয়েছিলেন। গির্জার মোড় থেকে বোনকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনেন দাদা। মৃতের স্বামী পেশায় দুগ্ধ ব্যবসায়ী প্রদীপ ঘোষ বলেন, দাদার হাত দিয়ে বাড়িতে দুধ পাঠিয়ে দেওয়ায় ঝগড়ার সূত্রপাত।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছে শুনে শ্বশুরবাড়িতে খবর দিই। দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। মৃতের আত্মীয় পার্বতী ঘোষ বলেন, জা, জায়ের মেয়ে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। সেই অভিমানেই আত্মঘাতী হয়েছে।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছে শুনে শ্বশুরবাড়িতে খবর দিই। দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। মৃতের আত্মীয় পার্বতী ঘোষ বলেন, জা, জায়ের মেয়ে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। সেই অভিমানেই আত্মঘাতী হয়েছে।



