নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাসিক আয়-ব্যয়ের হিসেব পোর্টালে আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। সে কারণেই রাজ্যের মূল্যায়নে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক পঞ্চায়েত পাশ করতে পারেনি। আবার অন্যান্য জেলায় বেশিরভাগ পঞ্চায়েত নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে না পারায় অনুত্তীর্ণ হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই পঞ্চায়েতগুলি কেন পোর্টালে আয়-ব্যয়ের হিসেব আপলোড করতে পারল না? খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, কে ওই তথ্য আপলোড করবেন, তা নিয়ে টালবাহানার কারণে শেষ অবধি কাজের কাজটাই হয়ে ওঠেনি। ফলে সার্বিক রিপোর্ট কার্ডে লাল কালির দাগ পড়েছে।
Advertisement
পঞ্চায়েত দপ্তরের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সব মিলিয়ে ফেল করেছে ৭৭টি পঞ্চায়েত। তার মধ্যে ৪৭টি পঞ্চায়েত আয়-ব্যয়ের হিসেব পোর্টালে আপলোড না করার জন্য অনুত্তীর্ণ হয়েছে। কী বলছে পঞ্চায়েতগুলি? সোনারপুর ব্লকের কালিকাপুর ২ নম্বর অঞ্চলের প্রধান তপন বিশ্বাস বলেন, পঞ্চায়েত সচিবের গাফিলতির কারণেই আমাদের নম্বর কমেছে। এই হিসেব আপলোড করার কাজ তাঁর। কিন্তু সময়ের মধ্যে তা তিনি করেননি। ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকের বাসুলডাঙা পঞ্চায়েতের প্রধান সুমিত হালদারের কথায়, পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক বহুদিন আসছেন না। তিনিই সাধারণত হিসেবের তথ্য আপলোড করেন। তিনি না আসায় এই কাজ আটকে গিয়েছে। বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লকের পানাকুয়া পঞ্চায়েতের প্রধান ভোলা সর্দার কর্মী সঙ্কটের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, একজন আধিকারিক অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে একাধিক জায়গায় কাজ করছেন। তাই আমাদের পঞ্চায়েতে এই হিসেব তোলার কাজ সময়ে করা যায়নি।



