সংবাদদাতা, বসিরহাট: হাসপাতালে আয়াদের বাদ দেওয়ার নোটিসকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা। বসিরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশের ফলে কাজ হারাতে বসেছেন প্রায় ১৫০ জন আয়া। আয়াদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগস্ট মাসের পর থেকে তাঁদের হাসপাতালে ঢোকা পুরোপুরি বন্ধ। কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোয় দুশ্চিন্তায় আয়াদের পরিবার। এই খবর পাওয়ার পর বিক্ষোভকারী আয়াদের দাবি, তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যাঁরা দীর্ঘ ৩০-৪০ বছর ধরে এই হাসপাতালে রোগীদের দিনরাত সেবা করে আসছেন। অনেকেরই স্বামী বা সন্তান নেই। হাসপাতাল থেকে যেটুকু অর্থ পান, তা দিয়েই তাঁদের সংসার চলে। তাঁদের বক্তব্য, আমরা সরকার বা কোনো বেসরকারি সংস্থা থেকে বেতন পাই না। রোগীর পরিবারের সুবিধার্থে তাঁদের সেবার বিনিময়ে দৈনিক মাত্র ১২০ টাকা করে নেওয়া হয়। তাহলে কেন আমাদের হঠাৎ এভাবে বের করে দেওয়া হবে? এই কাজ চলে গেলে আমরা কোথায় যাব? সংসারই বা কীভাবে চলবে? তাহলে আমাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করুক সরকার। এই বিষয়ে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার সিএমওএইচ ডাঃ রবিউল ইসলাম বলেন, এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করব না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সব জানিয়েছি, তারা যা বলবে, সেইমতো পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।



