সংবাদদাতা, কাটোয়া: ওড়িশার গাঁজা মেদিনীপুর হয়ে আউশগ্রামের জঙ্গলমহল দিয়ে ঢুকছিল। বোলপুরে হাতবদল হয়ে তা সাপ্লাই হতো বিভিন্ন এলাকায়। তার আগেই আউশগ্রাম থানার পুলিস ও পূর্ব বর্ধমানের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ যৌথ অভিযান চালিয়ে পাকাড়াও করে ৬ কারবারিকে। দু’টি চারচাকা গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮১ কেজি গাঁজা ও নগদ ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, আমরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আউশগ্রামে নাকা তল্লাশি শুরু করেছিলাম। সেখানেই গাঁজা সমেত পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করেছি।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খুসবর আলি শেখ, শেখ হায়দার ওরফে মান্নান, মহম্মদ ইসাক খান, অসীমকুমার সরকার, সন্তোষ ঘোষ ও বিকাশ ঘোষ। এদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরে। বাকি তিনজন বোলপুরের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ধৃতদের বর্ধমান সিজিএম আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। বোলপুরের সন্তোষ ও বিকাশ দুই ভাই। তারা দীর্ঘদিন ধরেই গাঁজার কারবার করে। এর আগেও তারা এভাবেই সড়কপথে মেদিনীপুর থেকে গাঁজা আনিয়েছে।
প্রসঙ্গত, আউশগ্রামের ১১ মাইল জঙ্গলের রুট থেকে গত বছর অক্টোবর মাসেও ৯৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছিল। তবে সেবার দুই কারবারি গাড়ি ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত থেকে জেলার এসওজি ও আউশগ্রাম থানার পুলিস খবর পেয়ে আগে থেকেই জঙ্গলের রাস্তায় ঘাপটি মেরে বসেছিল। পশ্চিম মেদিনীপুরের দিক থেকে একটি চারচাকা গাড়ি আসতেই সেটি আটকে তল্লাশি করা হয়। গাড়িটিতে গাঁজা ভর্তি ছিল। ওই গাড়ি থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কিছুক্ষণ পরেই সাদা রঙের চারচাকা গাড়িটি বোলপুরের দিকে আসে। সেটিতে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ছিল। জঙ্গলঘেরা আউশগ্রামেরই কোনও জায়গায় ওই টাকার বিনিময়ে গাঁজা হাত বদল হতো। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত দু’টি এলাকা থেকে গাঁজা সাপ্লাই আসে। একটি ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলা থেকে। দ্বিতীয়টি মণিপুর ও নাগাল্যান্ড থেকে। ওড়িশার গাঁজা ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে খড়গপুর হয়ে বেলদা এলাকায় জমা হয়। তারপর তা এজেন্টদের কাছে সাপ্লাই হয়। আর মনিপুর, নাগাল্যান্ড থেকে যে গাঁজা আসে তা মূলত সাপ্লাই হয় উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে। সেটা বেশির ভাগ ট্রেন রুটেই আসে। সেখান থেকে আসে নদীয়া জেলার নবদ্বীপ স্টেশনে। নবদ্বীপ থেকে গাঁজা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সাপ্লাই হয়। তবে খড়গপুরের বেশ কয়েকজন যুবক ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ওড়িশা থেকে গাঁজা নিয়ে আসে। পুলিস সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরেওছিল। তারপরেও কারবার বন্ধ হয়নি। এদিন আউশগ্রামে চারচাকা গাড়ির ডিকি ও চালকের আসনের নীচ থেকে মোট ৭৯টি গাঁজার প্যাকেটে পাওয়া যায়।
প্রসঙ্গত, আউশগ্রামের ১১ মাইল জঙ্গলের রুট থেকে গত বছর অক্টোবর মাসেও ৯৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছিল। তবে সেবার দুই কারবারি গাড়ি ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত থেকে জেলার এসওজি ও আউশগ্রাম থানার পুলিস খবর পেয়ে আগে থেকেই জঙ্গলের রাস্তায় ঘাপটি মেরে বসেছিল। পশ্চিম মেদিনীপুরের দিক থেকে একটি চারচাকা গাড়ি আসতেই সেটি আটকে তল্লাশি করা হয়। গাড়িটিতে গাঁজা ভর্তি ছিল। ওই গাড়ি থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কিছুক্ষণ পরেই সাদা রঙের চারচাকা গাড়িটি বোলপুরের দিকে আসে। সেটিতে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ছিল। জঙ্গলঘেরা আউশগ্রামেরই কোনও জায়গায় ওই টাকার বিনিময়ে গাঁজা হাত বদল হতো। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত দু’টি এলাকা থেকে গাঁজা সাপ্লাই আসে। একটি ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলা থেকে। দ্বিতীয়টি মণিপুর ও নাগাল্যান্ড থেকে। ওড়িশার গাঁজা ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে খড়গপুর হয়ে বেলদা এলাকায় জমা হয়। তারপর তা এজেন্টদের কাছে সাপ্লাই হয়। আর মনিপুর, নাগাল্যান্ড থেকে যে গাঁজা আসে তা মূলত সাপ্লাই হয় উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে। সেটা বেশির ভাগ ট্রেন রুটেই আসে। সেখান থেকে আসে নদীয়া জেলার নবদ্বীপ স্টেশনে। নবদ্বীপ থেকে গাঁজা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সাপ্লাই হয়। তবে খড়গপুরের বেশ কয়েকজন যুবক ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ওড়িশা থেকে গাঁজা নিয়ে আসে। পুলিস সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরেওছিল। তারপরেও কারবার বন্ধ হয়নি। এদিন আউশগ্রামে চারচাকা গাড়ির ডিকি ও চালকের আসনের নীচ থেকে মোট ৭৯টি গাঁজার প্যাকেটে পাওয়া যায়।



