নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুই জমানায় দু’রকম ছবি। বিধানসভায় বিধায়কদের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যানে তৃণমূল জমানাকে টেক্কা দিচ্ছে বিজেপি শাসনের সময়কাল। এ ব্যাপারে বিজেপি বিধায়কদের ইচ্ছা, তাগিদ বেশি মাত্রায় লক্ষ্য করছেন বিধানসভার সচিবালয়ের আধিকারিকরা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুই জমানায় দু’রকম ছবি। বিধানসভায় বিধায়কদের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যানে তৃণমূল জমানাকে টেক্কা দিচ্ছে বিজেপি শাসনের সময়কাল। এ ব্যাপারে বিজেপি বিধায়কদের ইচ্ছা, তাগিদ বেশি মাত্রায় লক্ষ্য করছেন বিধানসভার সচিবালয়ের আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, ২০২১-২০২৬ সাল পর্যন্ত তৃণমূল জমানায় জোড়াফুলের বিধায়কদের বিধানসভায় উপস্থিতি এবং অধিবেশনে বক্তব্য রাখার হার ছিল খুবই কম। সেই সময় তৃণমূলের সরকারিভাবে বিধায়ক ছিল ২১৪ জন। কিন্তু ১০০ জনের মতো এমন তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন, যাঁরা বিধানসভায় কোনো দিন মুখ খোলেননি। কোনো বিল, প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নেননি। ওই তৃণমূল বিধায়কদের কাছে বিধানসভার অধিবেশন ছিল ‘আসি-যাই, মাইনে পাই’ ধরনের!
২০২৬ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসে। বিধানসভায় দু’দফায় যে বাজেট অধিবেশন হয়েছে, তাতে বিজেপি বিধায়কদের সক্রিয়তা অনেক বেশি তৃণমূল জমানার তুলনায়। সচিবালয়ের আধিকারিকরা বলছেন, প্রায় প্রত্যেক বিজেপি বিধায়কই বিভিন্ন বিষয়ে বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তাঁরা নাম জমা দিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বিজেপির অনেক বিধায়ক সচিবালয়ে গিয়ে দরবার করছেন বক্তব্য রাখার সময় বরাদ্দের জন্য। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই আগ্রহ ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ বিজেপি বিধায়কদের। সবে নতুন সরকারের অধিবেশন শুরু হয়েছে বলে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, কিন্তু কিছুদিন পর সেই উৎসাহে ভাঁটা পড়বে, এমনটা যেন না হয়।