


নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদের। অপারেশন সিন্দুর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে দু’টি মামলা করেছিল পুলিস। সোমবার এই মামলায় নিম্ন আদালতের শুনানিতে স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছে, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে চার্জ গঠন করা যাবে না। এদিন পুলিসের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট ) জানিয়েছে, মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলার মধ্যে একটির ক্লোজার রিপোর্ট তারা জমা দিয়েছে। মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৫২ নম্বর ধারায় পুলিসের মামলা নিয়ে এদিন তীব্র আপত্তি জানান তাঁর আইনজীবী কপিল সিবাল। তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার মতো গুরুতর অভিযোগে এই ধারায় মামলা করা যায়। কিন্তু শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের জেরে এমন কঠোর ধারায় মামলা ‘দুর্ভাগ্যজনক’। অপারেশন সিন্দুর নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতেন সেনাবাহিনীর কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও উইং কম্যান্ডার ব্যোমিকা সিং। অধ্যাপক মাহমুদাবাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টিকে লোক দেখানো ও দ্বিচারিতা বলে কটাক্ষ করেন। তিনি লিখিছিলেন, অনেকে কুরেশির প্রশংসা করছেন। এটা ভালো। তাঁরা যেন গণপিটুনি, বুলডোজার অভিযান ও বিজেপির ঘৃণার রাজনীতির শিকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষার দাবিও তোলেন। এই পোস্টের জন্য ১৮ মে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনদিন পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য থেকে বিরত থাকা সহ একাধিক শর্তে তাঁকে জামিন দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ২৮ মে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, অধ্যাপকের বাক স্বাধীনতায় লাগাম পরানোর কোনও কারণ নেই।