নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: এক মাসের মধ্যে পৃথক দুই স্যালাইন প্রস্তুতকারক সংস্থার স্যালাইন বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এই নির্দেশিকার ফলে অথই জলে পড়তে হয়েছে জেলার ছোট-বড় হাসপাতালগুলিকে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর এবার শুক্রবার। ভর সন্ধ্যায় আরও এক সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বেসরকারি চিকিৎসা সামগ্রী প্রস্তুতকারী সংস্থার স্যালাইন, ইনজেকশন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্বাস্থ্যদপ্তর। রাতারাতি বিকল্প জোগাড় হবে কোথা থেকে? প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও, প্রতিটি হাসপাতালকেই এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হোঁচট খেতে হল।
Advertisement
প্রসূতি মৃত্যু ঘিরে জানুয়ারির শুরুতেই বিস্তর জলখোলা হয়েছে। সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একটি বেসরকারি স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থার ‘রিঙ্গার ল্যাক্টেট› স্যালাইন সহ বেশ কিছু সামগ্রী ব্যবহারে সেই সময় নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্যভবন। পরিবর্তে বাইরে থেকে কিনে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একমাসের মধ্যেই ফের একই পরিস্থিতি জেলার ছোটবড় সরকারি হাসপাতালগুলিতে। দ্বিতীয় আরও একটি চুক্তিবদ্ধ সংস্থার একাধিক স্যালাইন, ইনজেকশন, ওষুধ সহ নানান জিনিস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলিতে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই নির্দেশিকা এসে পৌঁছয়। তাতে ওই সংস্থার ১৭টি এমন স্যালাইন, ইনজেকশন ব্যবহার বন্ধ করতে বলা হয়েছে। একইভাবে বিকল্প হিসেবে স্থানীয়ভাবে অন্য সংস্থার প্রস্তুত করা একই সামগ্রী জোগাড় করে কাজ করতে বলা হয়েছে। জেলায় থাকা বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে খবর, বারবার এই ধরনের নির্দেশিকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের। কারণ নির্দেশিকা যখন আসছে, তখন তাদের হাতে আগে থেকে বিকল্প মজুত কিছু থাকছে না।
অথচ নির্দেশিকা এলেই তার ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। অথচ সেই সময় ওয়ার্ডে ভর্তি বহু রোগীকে সেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। সমস্যাটা হল, তাহলে তখন তাঁকে বিকল্প কী দেওয়া হবে? সেটা মিলবেই বা কোথা থেকে?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের এক কর্তা বলেন, আচমকা এত বিকল্প বাইরে থেকে পাব কোথায়? হাসপাতালের আশপাশের দোকানে চাহিদা মেটানোর মত স্টক থাকে না। এছাড়া অন্য কোম্পানির সঙ্গে যদি যোগাযোগ করা হয় তাহলে তাদের স্যালাইন আসতেও সময় লাগবে। স্বাভাবিকভাবেই এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, সমস্যায় তো পড়তে হচ্ছেই।
সাধারণ মানুষের মতে, স্বাস্থ্যভবন চাইলে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই পারে। তাহলে তো বিকল্প আগে হাসপাতালগুলিকে তাদের তরফেই পাঠিয়ে সেই নির্দেশিকা জারি করা উচিত। বিষয়টি নিয়ে নদীয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষচন্দ্র দাস বলেন, আমরা নির্দেশিকা আসার পরেই ওই সংস্থার প্রস্তুত করা চিকিৎসা সামগ্রী বন্ধ করে দিয়েছি। স্থানীয়ভাবে কিনে নিতে বলা হয়েছে। কয়েকটা দিনের ব্যাপার। মঙ্গলবার থেকে ডিআরএস-এর মাধ্যমে হাসপাতালগুলি প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে যাবে।
অথচ নির্দেশিকা এলেই তার ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। অথচ সেই সময় ওয়ার্ডে ভর্তি বহু রোগীকে সেই স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। সমস্যাটা হল, তাহলে তখন তাঁকে বিকল্প কী দেওয়া হবে? সেটা মিলবেই বা কোথা থেকে?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের এক কর্তা বলেন, আচমকা এত বিকল্প বাইরে থেকে পাব কোথায়? হাসপাতালের আশপাশের দোকানে চাহিদা মেটানোর মত স্টক থাকে না। এছাড়া অন্য কোম্পানির সঙ্গে যদি যোগাযোগ করা হয় তাহলে তাদের স্যালাইন আসতেও সময় লাগবে। স্বাভাবিকভাবেই এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, সমস্যায় তো পড়তে হচ্ছেই।
সাধারণ মানুষের মতে, স্বাস্থ্যভবন চাইলে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই পারে। তাহলে তো বিকল্প আগে হাসপাতালগুলিকে তাদের তরফেই পাঠিয়ে সেই নির্দেশিকা জারি করা উচিত। বিষয়টি নিয়ে নদীয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষচন্দ্র দাস বলেন, আমরা নির্দেশিকা আসার পরেই ওই সংস্থার প্রস্তুত করা চিকিৎসা সামগ্রী বন্ধ করে দিয়েছি। স্থানীয়ভাবে কিনে নিতে বলা হয়েছে। কয়েকটা দিনের ব্যাপার। মঙ্গলবার থেকে ডিআরএস-এর মাধ্যমে হাসপাতালগুলি প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে যাবে।



