নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আরামবাগ-কোতুলপুর ২ নম্বর রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিল পূর্তদপ্তর। এজন্য রাস্তার পাশের জমির মাপজোকের কাজ শুরু হয়েছে। নিত্যদিন এই রাজ্য সড়কের উপর যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তারসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পথ দুর্ঘটনাও। তাই দ্রুত রাস্তা সম্প্রসারণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
পূর্তদপ্তরের আরামবাগ মহকুমার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুমন্ত প্রামাণিক বলেন, এই রাজ্য সড়কের উপর ট্রাফিকের চাপ থাকায় তা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এজন্য মাপজোক করে দেখা হচ্ছে কোথায় জমির অবস্থান কেমন রয়েছে। ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। অনুমোদন মিললে কাজ শুরু হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন নায়েক বলেন, এই রাস্তার অবিলম্বে সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। নিত্যদিন দুর্ঘটনা ও যানজট লেগে থাকছে। তাছাড়া আরামবাগ শহরে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য এই রাজ্য সড়কের উপর নো এন্ট্রি করা হচ্ছে। তার ফলে যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রাস্তা সম্প্রসারণ হলে এই দুর্ভোগ কমতে পারে।
তপন মণ্ডল আবার বলেন, রাস্তাটির উপর দিন দিন চাপ বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। তাই যদি সম্প্রসারণ করা হয় খুবই ভালো হবে। মাপজোকের কাজ যে হচ্ছে, তা দেখলাম।
পূর্তদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের কালীপুর থেকে হুগলির গোঘাটের সীমানা খাটুল চেকপোস্ট পর্যন্ত এলাকার দূরত্ব প্রায় ২৩ কিলোমিটার। এই রাজ্য সড়কটি আরামবাগ, গোঘাট, কোতুলপুর, জয়পুর বিষ্ণুপুর পর্যন্ত গিয়েছে। তারপর বিষ্ণুপুর থেকে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিশে বাঁকুড়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। ফলে বাঁকুড়া জেলার সঙ্গে আরামবাগের যোগাযোগে এই রাজ্য সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া বাঁকুড়া থেকে কলকাতা যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এই রাজ্য সড়ক ব্যবহার করা হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দাদের একাংশও এই রাজ্য সড়কে যাতায়াত করে। তাই ২ নম্বর রাজ্য সড়কের উপর প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে। বর্তমানে রাজ্য সড়কটি চওড়ায় সাত মিটার রয়েছে। এমনকী, কোথাও কোথাও কিছু অংশ বেহালও হয়েছে। নিত্যদিন বালিবোঝাই বহু লরিও এই রাজ্য সড়কের উপর যাতায়াত করে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা বাড়ায় বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনাও ঘটছে।
পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, দুর্ঘটনা রোধে কোথায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে প্রকল্প রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। কোথাও হাম্প প্রয়োজন। কোথাও রাস্তার মেরামতি দরকার। একইসঙ্গে আমরা সম্প্রসারণের কথাও বলেছি।
পূর্তদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্য সড়কটির সম্প্রসারণ করে অন্তত ১০ মিটার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই রাস্তার দু’পাশের জমির অবস্থা খতিয়ে দেখে মাপজোক চলছে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন নায়েক বলেন, এই রাস্তার অবিলম্বে সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। নিত্যদিন দুর্ঘটনা ও যানজট লেগে থাকছে। তাছাড়া আরামবাগ শহরে যান নিয়ন্ত্রণের জন্য এই রাজ্য সড়কের উপর নো এন্ট্রি করা হচ্ছে। তার ফলে যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রাস্তা সম্প্রসারণ হলে এই দুর্ভোগ কমতে পারে।
তপন মণ্ডল আবার বলেন, রাস্তাটির উপর দিন দিন চাপ বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। তাই যদি সম্প্রসারণ করা হয় খুবই ভালো হবে। মাপজোকের কাজ যে হচ্ছে, তা দেখলাম।
পূর্তদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগের কালীপুর থেকে হুগলির গোঘাটের সীমানা খাটুল চেকপোস্ট পর্যন্ত এলাকার দূরত্ব প্রায় ২৩ কিলোমিটার। এই রাজ্য সড়কটি আরামবাগ, গোঘাট, কোতুলপুর, জয়পুর বিষ্ণুপুর পর্যন্ত গিয়েছে। তারপর বিষ্ণুপুর থেকে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিশে বাঁকুড়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। ফলে বাঁকুড়া জেলার সঙ্গে আরামবাগের যোগাযোগে এই রাজ্য সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া বাঁকুড়া থেকে কলকাতা যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এই রাজ্য সড়ক ব্যবহার করা হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দাদের একাংশও এই রাজ্য সড়কে যাতায়াত করে। তাই ২ নম্বর রাজ্য সড়কের উপর প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে। বর্তমানে রাজ্য সড়কটি চওড়ায় সাত মিটার রয়েছে। এমনকী, কোথাও কোথাও কিছু অংশ বেহালও হয়েছে। নিত্যদিন বালিবোঝাই বহু লরিও এই রাজ্য সড়কের উপর যাতায়াত করে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা বাড়ায় বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনাও ঘটছে।
পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, দুর্ঘটনা রোধে কোথায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে প্রকল্প রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। কোথাও হাম্প প্রয়োজন। কোথাও রাস্তার মেরামতি দরকার। একইসঙ্গে আমরা সম্প্রসারণের কথাও বলেছি।
পূর্তদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্য সড়কটির সম্প্রসারণ করে অন্তত ১০ মিটার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই রাস্তার দু’পাশের জমির অবস্থা খতিয়ে দেখে মাপজোক চলছে। এব্যাপারে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।



