নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: শুক্রবার আরামবাগের ১৫নম্বর ওয়ার্ডের দৌলতপুর শ্রীপল্লিতে ধুমধাম করে শিব ও দুর্গা মন্দিরের প্রতিষ্ঠা উৎসব উদযাপিত হল। বহুবছর ধরে সেখানে শিব ও দুর্গার পুজো হয়ে আসছে। ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট সেখানে শিবমন্দির তৈরি হয়। বছর চারেক আগে বাসিন্দাদের অর্থসাহায্যে তৈরি হয় নতুন দুর্গামন্দির। এদিন ওই দু’টি মন্দিরই প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে শিব ও দুর্গার পুজো সর্বজনীন। এলাকার বহু মানুষ তাতে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে এদিন সকালে স্থানীয় মহিলা সহ অন্য বাসিন্দারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। মহিলারা ২৮টি মঙ্গলঘটে দ্বারকেশ্বর নদ থেকে জল নিয়ে আসেন। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় মহিলা ঢাকিদের দল নজর কাড়ে। সেইসঙ্গে ধামসা-মাদলের বাজনার ব্যবস্থাও করা হয়। এদিন ২৪জন পুরোহিত সেখানে হোমযজ্ঞ করেন।
Advertisement
এলাকার বাসিন্দা দেবদাস মুখোপাধ্যায় বলেন, মন্দিরের প্রতিষ্ঠা উৎসব উপলক্ষ্যে আগে থেকেই পুর এলাকা সহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে মাইকিং করে বাসিন্দাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেইমতো আমরা কয়েক হাজার ভক্তের জন্য খিচুড়ি প্রসাদের ব্যবস্থা করেছি। এদিন সুষ্ঠুভাবেই প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়েছে। রাতে পালাকীর্তন হয়েছে।
অপর দুই বাসিন্দা রাজকুমার দত্ত ও সন্তোষ দত্ত বলেন, এদিন মন্দিরের প্রতিষ্ঠা উৎসব উপলক্ষ্যে মহাপ্রসাদ পায়েস, খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। তা ভক্তদের দেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই কুইন্টাল বেল ও শাল কাঠ দিয়ে পুরোহিতরা যজ্ঞ করেছেন। ৩৪বছর ধরে এখানে সর্বজনীন দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। আগে একটি পুরনো দুর্গামন্দিরও ছিল। বর্তমানে নতুন সুদৃশ্য মন্দির গড়ে দেবীর পুজো করছেন এলাকার বাসিন্দারা। শিবমন্দিরেও নিত্যপুজো হয়ে আসছে। শিবরাত্রিও ধুমধাম করে পালিত হয়। কালী, সরস্বতী পুজোও সাড়ম্বরে হয়। - নিজস্ব চিত্র
অপর দুই বাসিন্দা রাজকুমার দত্ত ও সন্তোষ দত্ত বলেন, এদিন মন্দিরের প্রতিষ্ঠা উৎসব উপলক্ষ্যে মহাপ্রসাদ পায়েস, খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। তা ভক্তদের দেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই কুইন্টাল বেল ও শাল কাঠ দিয়ে পুরোহিতরা যজ্ঞ করেছেন। ৩৪বছর ধরে এখানে সর্বজনীন দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। আগে একটি পুরনো দুর্গামন্দিরও ছিল। বর্তমানে নতুন সুদৃশ্য মন্দির গড়ে দেবীর পুজো করছেন এলাকার বাসিন্দারা। শিবমন্দিরেও নিত্যপুজো হয়ে আসছে। শিবরাত্রিও ধুমধাম করে পালিত হয়। কালী, সরস্বতী পুজোও সাড়ম্বরে হয়। - নিজস্ব চিত্র



