নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: দীর্ঘ ন’মাস পর আরামবাগ মেডিক্যালে চালু হল ‘সুস্বাদু’ ক্যান্টিন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাই পরিচালনা করবেন এই ক্যান্টিনের। আর্থিক টানাপোড়েনের মাঝে কাজ পাওয়ায় মুখে হাসি ফুটেছে মহিলাদের। এজন্য তাঁরা প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানাচ্ছেন। ব্রেকফাস্ট থেকে লাঞ্চ, টিফিন ও ডিনার সবই মিলবে এই ক্যান্টিনে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের আয়োজনে এবার চিকিৎসক, পড়ুয়াদের খাবারের ঠিকানা সুস্বাদু ক্যান্টিন। সোমবার থেকে মেডিক্যাল কলেজের চত্বরেই তা শুরু হয়েছে।
Advertisement
আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ রায় বলেন, মেডিক্যাল কলেজ চালু হওয়ার পর একটি এজেন্সি ক্যান্টিন চালাচ্ছিল। কিন্তু, সমস্যা হওয়ায় চুক্তি বাতিল হয়। মহকুমা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ফের মেডিক্যালে ক্যান্টিন চালু হয়েছে। এই ব্যবস্থাটি ভালো হয়েছে। পড়ুয়াদের সুবিধা হবে। সুস্বাদু ক্যান্টিনের দায়িত্বে রয়েছেন বিষ্ণুপ্রিয়া রায়, বর্ণালি দে’রা। তাঁরা সংসার সামলে দায়িত্ব নিয়েছেন সুস্বাদু ক্যান্টিনের হেঁশেলের। বর্ণালিদেবীর বাড়িতে স্বামী, সন্তান, শ্বশুর ও শাশুড়ি রয়েছেন। তাঁর স্বামী হাওড়ায় কাজ করেন। বর্ণালিদেবী সকালে সংসারের কাজ সামলে আসেন মেডিক্যালের ক্যান্টিনে। তিনি বলেন, রোজগারের আশাতেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। হাসপাতালের ক্যান্টিনে সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে আসি। রাতে বাড়ি ফিরি। প্রশাসন আমাদের এখানে কাজের সুযোগ করে দেওয়ায় খুবই উপকার হল। কাজটিকে আমরা টিকিয়ে রাখতেও চাই।
স্বনির্ভর দলের সদস্যদের মধ্যে আরামবাগ শহরের পাশাপাশি মায়াপুর, গোঘাটের বালি দেওয়ানগঞ্জের মহিলারাও রয়েছেন। স্বনির্ভর দলের নেত্রী পায়েল খাতুন বলেন, ১০ জন মহিলা নিয়ে আমরা এই ক্যান্টিন সবে শুরু করেছি। আপাতত প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জনের রান্না করা হচ্ছে। ভিড় বাড়লে সদস্য সংখ্যা বাড়বে।
স্বনির্ভর দলের সদস্যদের মধ্যে আরামবাগ শহরের পাশাপাশি মায়াপুর, গোঘাটের বালি দেওয়ানগঞ্জের মহিলারাও রয়েছেন। স্বনির্ভর দলের নেত্রী পায়েল খাতুন বলেন, ১০ জন মহিলা নিয়ে আমরা এই ক্যান্টিন সবে শুরু করেছি। আপাতত প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জনের রান্না করা হচ্ছে। ভিড় বাড়লে সদস্য সংখ্যা বাড়বে।



