নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটা সময় পর্যন্ত রাস্তার একধারে জমে থাকত জল-কাদা। পড়ে থাকত নোংরা, আবর্জনা। কুকুর, বিড়াল, কাক সেসব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাস্তাকে আরও নোংরা করত। সেই চিত্র এখন বদলেছে। নিয়মিত আবর্জনা সাফ হচ্ছে। সংস্কার হচ্ছে ক্যানাল ওয়েস্ট রোড। উল্টোডাঙা সংলগ্ন গৌরীবাড়ি থেকে আর জি কর হাসপাতাল পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা চওড়া করার কাজ শুরু হয়েছে। এতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
অরবিন্দ সেতু সংলগ্ন গৌরীবাড়ি থেকে সোজা গ্যালিফ স্ট্রিট পর্যন্ত চলে গিয়েছে ক্যানাল ওয়েস্ট রোড। গত বছর এই রাস্তার ধারে অবৈধ দখলদার, বেআইনি পার্কিং, জমে থাকা জঞ্জাল সরানো হয়। সেই সঙ্গে গোটা রাস্তার একপাশ জুড়ে থাকা কাদা-জল পরিষ্কার করা হয়। প্রথম দফায় আর জি কর সংলগ্ন অঞ্চল থেকে গ্যালিফ স্ট্রিট পর্যন্ত নতুন করে রাস্তা বানানো হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় দফায় অরবিন্দ সেতুর নীচে গৌরীবাড়ি থেকে আর জি কর পর্যন্ত রাস্তা চওড়া ও মসৃণ করার কাজে হাত লাগিয়েছে কলকাতা পুরসভা। সেখানে জল জমার কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা দূর করতে নতুন করে বদল করা হচ্ছে ম্যানহোলের মুখ। ২৫ ফুট থেকে বেড়ে ৩৮ ফুট চওড়া হচ্ছে গোটা রাস্তা। এই এক কিলোমিটার পথ নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে। যার জেরে উপকৃত হবেন গৌরীবাড়ি, হালদার বাগান, মোহনলাল স্ট্রিট ও দেশবন্ধু পার্ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। রাস্তা চওড়া হওয়ায় ওই পথে গাড়ি চলাচলে সুবিধা হবে। স্থানীয় বাসিন্দা রত্না শীল বলেন, এই রাস্তা মেরামত করা জরুরি ছিল। অফিসটাইমে এই অপরিসর রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই দায়। সারাদিনই যানজট হয়। রাস্তা চওড়া হলে সেই সমস্যা হয়তো মিটবে।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ডাঃ মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর এই রাস্তাটিকে চলাচলের যোগ্য করে তোলার কথা ভেবেছিলাম। সারা বছর রাস্তার একধারে জল-কাদা জমে থাকত। পুরনো, ভাঙা গাড়ি ফেলে রাখা হতো। সেখানে ডেঙ্গুর মশা জন্ম নিত। সাপেরও দেখা মিলত। এখন সেসব অতীত। সাফসুতরো হয়েছে গোটা রাস্তা। আগে একটা অংশের কাজ হয়েছে। এখন বাকিটা হচ্ছে।
পুর কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, খালপাড়ের বাগানগুলিকে নতুন করে সাজানো হবে। বৃক্ষরোপণ করা হবে। রাস্তাটি মসৃণ ও চওড়া হলে আগামী দিনে আরও বেশি গাড়ি চলাচল করতে পারবে। -নিজস্ব চিত্র
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ডাঃ মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর এই রাস্তাটিকে চলাচলের যোগ্য করে তোলার কথা ভেবেছিলাম। সারা বছর রাস্তার একধারে জল-কাদা জমে থাকত। পুরনো, ভাঙা গাড়ি ফেলে রাখা হতো। সেখানে ডেঙ্গুর মশা জন্ম নিত। সাপেরও দেখা মিলত। এখন সেসব অতীত। সাফসুতরো হয়েছে গোটা রাস্তা। আগে একটা অংশের কাজ হয়েছে। এখন বাকিটা হচ্ছে।
পুর কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, খালপাড়ের বাগানগুলিকে নতুন করে সাজানো হবে। বৃক্ষরোপণ করা হবে। রাস্তাটি মসৃণ ও চওড়া হলে আগামী দিনে আরও বেশি গাড়ি চলাচল করতে পারবে। -নিজস্ব চিত্র



