Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আজ অ্যাপ ক্যাব ধর্মঘট, ভোগান্তির শঙ্কা, ই ২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে মিছিল

আজ কলকাতায় অ্যাপ ক্যাব ধর্মঘট, ১২ ঘণ্টা অফলাইন থাকবে চালকরা। যাত্রীদের ভোগান্তির শঙ্কা। বিস্তারিত জানুন।

আজ অ্যাপ ক্যাব ধর্মঘট, ভোগান্তির শঙ্কা, ই ২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে মিছিল
  • ২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দাবি অনেক, কিন্তু সমাধান অধরা! দিনকয়েক আগে কলকাতা শহর দেখেছে বাম ছাত্র সংগঠনের আন্দোলন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ, সোমবার পথে নামছে বাম শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ অনুমোদিত অ্যাপ ক্যাব চালকদের সংগঠন। এদিন সকাল ১১টায় মৌলালির রামলীলা পার্ক থেকে আর এন মুখার্জি রোডে পরিবহণ দপ্তর পর্যন্ত ক্যাব নিয়ে মিছিল করবেন চালকরা। ইউনিয়নের নেতৃত্বের দাবি, খুব বড়ো মিছিল হবে। শুধু তাই নয়, সপ্তাহের প্রথম দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা ক্যাব চালকরা ‘অফলাইন’ থাকবেন বলে ঘোষণা হয়েছে। অর্থাৎ, আজ অ্যাপ-ক্যাব ধর্মঘট। স্বভাবতই সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির শঙ্কা থাকছে। ‘কলকাতা ওলা-উবর অ্যাপ ক্যাব অপারেটার্স অ্যান্ড ড্রাইভারস ইউনিয়ন’-এর ডাকে এই কর্মসূচিতে বাইক ট্যাক্সি চালকরাও শামিল হবেন বলে খবর। 

Advertisement

আরএসএসের শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সমর্থন করে। কিন্তু দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল চালকদের গাড়ি জোর করে বন্ধ রাখাকে তারা সমর্থন করে না। 
বাম সংগঠনটির দাবি, যে হারে তেলের দাম বাড়ছে, তাতে অ্যাপ ক্যাবের ভাড়া বাড়াতেই হবে। শহরে প্রায় ১৫-১৬ হাজার ক্যাব ও ২৫-৩০ হাজার বাইক চলে। তার মধ্যে অন্তত ১০ হাজার ক্যাব এদিন চলবে না। তাছাড়া চালকদের দাবি, ই-২০ পেট্রলে গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে। অ্যাপ-ক্যাব কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যখন-তখন আইডি ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে ভিএলটিডি’র সমস্যা। নেতৃত্বের বক্তব্য, ভিএলটিডি হল গাড়ির ভিতরে থাকা ‘লাল’ প্যানিক বাটন। ১২-১৫ হাজার টাকা দিয়ে চালকদের এই বাটন গাড়িতে লাগাতে হয়। তারপর বছরে ৫ হাজার টাকা দিয়ে রিচার্জ করতে হয়। আন্দোলনের ফলে তা কমে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার হয়েছে। প্যানিক বাটন ব্যবহার করলে স্থানীয় থানায় বার্তা যাওয়ার কথা। কিন্তু চালকদের বক্তব্য, কোনো ক্ষেত্রেই এই প্যানিক বাটন কাজ করে না। এছাড়া, সিএনজি স্টেশনে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর পর গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি তাঁদের। 
ইউনিয়নের সম্পাদক নিখিল মাইতি বলেন, ‘আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। সোমবার সকালের দিকে শহরের রাস্তায় অনেক কম গাড়ি থাকবে। যার ফলে যাত্রীদের হয়তো বেশি ভাড়া গুনতে হতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ই-২০ পেট্রল নিয়ে চালকরা খুবই সমস্যায় রয়েছেন। বেশিরভাগ চালক বলছেন, পুরোনো গাড়ির মাইলেজ কমে যাচ্ছে। ইঞ্জিনের উপরেও প্রভাব পড়ছে। আমাদের বক্তব্য হল, সরকার যদি তেলে এসব মেশায়, তাহলে দাম কমছে না কেন? এত দাম দিয়ে তেল কিনতে হচ্ছে। আবার ভাড়াও বাড়ছে না। দেওয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গিয়েছে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ