Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

আওরঙ্গজেবের বংশধররা কলকাতায় রিকশ টানেন, বিতর্কিত মন্তব্য যোগীর 

আওরঙ্গজেবের বংশধররা কলকাতায় রিকশ টানেন, বিতর্কিত মন্তব্য যোগীর 
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
অযোধ্যা ও লখনউ: মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব ও তাঁর বংশধরদের নিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে নয়া বিতর্ক তৈরি হল। শুক্রবার অযোধ্যায় এক অনুষ্ঠানে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুনেছি আওরঙ্গজেবের বংশধররা কলকাতার কাছে থাকেন। রিকশ টেনে তাঁদের জীবন চলে। আওরঙ্গজেব মন্দির ও ধর্মীয় স্থান ধ্বংস না করলে তাঁর বংশধরদের এই অবস্থায় পড়তে হতো না। মন্দির ধ্বংসকারীদের বংশ শেষ হয়ে যাবে।’ পাশাপাশি নতুন করে উস্কে দিয়েছেন মন্দির-মসজিদ বিবাদের ইস্যুও। আর এরপরই সমাজবাদী পার্টির নেতা রামগোপাল যাদব খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্বকে। বলেছেন, ‘আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সম্প্রীতির পরামর্শই সার। বিজেপিতে তাঁর কথা কেউ আর শোনেই না।’ 
Advertisement
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নিয়ে চড়া সুড়ে কথা বলেন যোগী আদিত্যনাথ। আর তা করতে গিয়েই আওরঙ্গজেবের বংশধরদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন বিজেপির হিন্দুত্বের পোস্টারবয়। তাঁর বক্তব্য, ‘দৈব বিচারে’ই ওই মুঘল সম্রাটের কুকর্মের ফল ভুগতে হচ্ছে তাঁর উত্তরাধিকারীদের। বাংলাদেশ ইস্যুর প্রেক্ষিতে যোগী বলেন, ‘হাজার হাজার বছর ধরেই সঙ্কটের মুহূর্তে বিভিন্ন শ্রেণি ও ধর্মের মানুষের জন্য একমাত্র আশ্রয়স্থল সনাতন ধর্ম। কিন্তু তার বদলে হিন্দুরা কেমন ব্যবহার পেয়েছে? বাংলাদেশে কী হচ্ছে, অতীতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে কী হয়েছে? হিন্দুদের সামনে চ্যালেঞ্জ কতটা, এসবই তার প্রমাণ।’ অযোধ্যার ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্দির-মসজিদ বিবাদের ইস্যুও ফের উস্কে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। গেরুয়া বসনধারী এই বিজেপি নেতা বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে হিন্দুদের মন্দিরকে নিশানা বানানো হয়েছে। কাশী বিশ্বনাথ ধাম, অযোধ্যার রামজন্মভূমি, মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান, সম্ভলে কল্কি অবতারের হরিহরভূমি, ভোজপুর— সর্বত্রই মন্দির ভেঙে সেই স্থল অপবিত্র করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের আর কোনও ধর্মীয় স্থানের যাতে সম্মানহানি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ