Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

আওগে যব তুম

‘আওগে যব তুম’। উস্তাদ রশিদ খানের এই দরাজ গলায় গানে আজও সম্মোহিত হয়ে যান শ্রোতারা। গত বছর ৯ জানুয়ারি অকালে মৃত্যু হয় রামপুর সহসওয়ান ঘরানার এই বিশিষ্ট শিল্পীর। তাঁর প্রয়াণের খবর পেতেই হয়তো ‘যব উই মেট’ সিনেমার ওই গানই হয়তো গুনগুনিয়ে গেয়ে উঠেছিলেন অনেকে।

আওগে যব তুম
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
‘আওগে যব তুম’। উস্তাদ রশিদ খানের এই দরাজ গলায় গানে আজও সম্মোহিত হয়ে যান শ্রোতারা। গত বছর ৯ জানুয়ারি অকালে মৃত্যু হয়  রামপুর সহসওয়ান ঘরানার এই বিশিষ্ট শিল্পীর। তাঁর প্রয়াণের খবর পেতেই হয়তো ‘যব উই মেট’ সিনেমার ওই গানই হয়তো গুনগুনিয়ে গেয়ে উঠেছিলেন অনেকে। আবেগ, প্রম, বিরহ। গানের মধ্যে সবকিছুই যেন উজাড় করে ঢেলে দিয়েছিলেন রশিদ। গানটি সিনেমা তৈরির অনেক বছর আগেই জন্ম নিয়েছিল। কীভাবে তৈরি হয়েছিল এই কালজয়ী সৃষ্টি? এক সাক্ষাৎকারে সেকথা জানিয়েছেন সিনেমার সঙ্গীত পরিচালক সন্দেশ শান্ডিল্য। শিল্পীর কাজ নিরন্তর সৃষ্টি করে চলা। হঠাৎ মাথায় সুর এলে কথা বসিয়ে সেটাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গীত পরিচালক। তারপর পরিচালকের পছন্দ হলে তা চলচ্চিত্রে স্থান পায়। এক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছিল। সন্দেশ জানিয়েছেন, এই গানের সুর মাথায় আসতেই তিনি সেটি রেকর্ড করে রাখেন। সন্দেশ তখন ফিয়াজ আনোয়ারের সঙ্গে কাজ করছিলেন। সুর শুনে মুখড়া পর্যন্ত লিখে দিয়েছিলেন ফিয়াজ। তারপর বেশ কয়েক বছর কেটে যায়। একদিন চলচ্চিত্র পরিচালক ইমতিয়াজ আলিকে সুর শোনালেন সন্দেশ। শুনেই ইমতিয়াজ জানালেন, তাঁর সিনেমায় এই গান ব্যবহার করবেন। মুখড়া তো আগেই তৈরি ছিল। সেইসঙ্গে জুড়ল অন্তরা। গান তো তৈরি। গাইবে কে? সন্দেশ ছুটলেন উস্তাদ রশিদ খানের কাছে। কারণ তিনি জানতেন যে এই গান এমন একজনকে দিয়ে গাওয়াতে হবে যাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গীতের রেওয়াজ রয়েছে। কিন্তু গানের জন্য প্রচুর টাকা চেয়ে বসলেন উস্তাদজি। উত্তরে সঙ্গীত পরিচালক জানালেন, এতো টাকা দেওয়া তাঁদের সাধ্যের বাইরে। তবে তাঁর ভরসা ছিল, এই গান শিল্পী ফেরাতে পারবেন না। উস্তাদজিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন সন্দেশ। তাই শেষপর্যন্ত ভক্তের এই আবদার শিল্পী ফেলতে পারলেন‌ না। রেকর্ড হল গান। তারপর বাকিটা ইতিহাস।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ