সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ট্রলার থেকে পড়ে ফের নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক মৎস্যজীবী। অন্যদিকে, ট্রলার থেকেই পড়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক মৎস্যজীবীর মৃতদেহ উদ্ধার হল এদিন। তবে দ্বিতীয় ঘটনায় এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ট্রলার থেকে পড়ে ফের নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক মৎস্যজীবী। অন্যদিকে, ট্রলার থেকেই পড়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক মৎস্যজীবীর মৃতদেহ উদ্ধার হল এদিন। তবে দ্বিতীয় ঘটনায় এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
প্রথম ঘটনায় নিখোঁজ মৎস্যজীবীর নাম রতন দাস। বাড়ি কাকদ্বীপের শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিকাপুর এলাকায়। ১৯ জুন নামখানার খেয়াঘাট থেকে এফবি জয় মা দুর্গা নামে একটি ট্রলারে করে ১৬ জন মৎস্যজীবী মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন। সোমবার রাতে জাল ফেলে মাছ ধরার সময় হঠাৎই রতন ট্রলার থেকে সমুদ্রে পড়ে যান। তখন ট্রলারের মৎস্যজীবীরা তল্লাশি শুরু করলেও তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল রক্ষী বাহিনীর অফিসে বিষয়টি জানানো হয়। বর্তমানে উপকূল রক্ষী বাহিনী ও বেশ কয়েকটি ট্রলার ওই নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজে সমুদ্রে তল্লাশি শুরু করেছে। এবিষয়ে সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, মাছ ধরার সময় ট্রলার থেকে একজন মৎস্যজীবী সমুদ্রে পড়ে গিয়েছিলেন। এখনও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তল্লাশি জারি রয়েছে। অন্যদিকে পণ্যবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় দীর্ঘক্ষণ নদীতে তল্লাশি চালানোর পর অবশেষে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির মৃতদেহ। তবে এই ঘটনায় এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। মৃত ব্যক্তির নাম সন্তোষ ঘোড়াই (৩৫)। বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে সাগর থানার পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করেন। প্রসঙ্গত, সোমবার এমভি মা নাচিন্দা নামে একটি পণ্যবাহী ট্রলার বালি নিয়ে গেঁওখালি থেকে সাগরের কচুবেড়িয়ার দিকে যাচ্ছিল। মাঝ নদীতে হঠাৎই ইঞ্জিন বিকল হয়ে ওই ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। তখন ওই ট্রলারে থাকা তিনজনের চিৎকার শুনে স্থানীয় একটি নৌকা একজনকে উদ্ধার করে। কিন্তু দু’জন নিখোঁজ ছিলেন। এদিন একজনের দেহ উদ্ধার হল।