একই দিনে রাজ্যে জোড়া এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে খতম সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত
  • ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৪২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও বহরমপুর: গাইঘাটার পর এবার ধুলিয়ান। একই দিনে জোড়া এনকাউন্টারের সাক্ষী থাকল রাজ্য। এবার সিআইডির হাতে। আজ, সামশেরগঞ্জের খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করল সিআইডি। অভিযুক্তের নাম সামাউল শেখ। আজ সিআইডি তাকে ঘটনার পুননির্মাণের জন্য মূল ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। অভিযোগ, সে সময় অভিযুক্ত পুলিশের ঘেরাটোপ থেকে পালানোর চেষ্টা করে। তখন সিআইডি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই গুলিতেই মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জের বিজেপি কর্মী সুজিত মন্ডল খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত সামাউল শেখকে সিআইডি আধিকারিক ও পুলিশ আজ দুপুর তিনিটে নাগাদ সামশেরগঞ্জের ডাকবাংলায় ঘটনার পুনর্নির্মাণ এবং তদন্ত করতে নিয়ে গিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, সে সময় পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। তখনই তাকে গুলি করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তড়িঘড়ি স্থানীয় অনুপনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তার। 

উল্লেখ্য, গত ২৮ অগাস্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন সামশেরগঞ্জে বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডল। পরে ফরাক্কার বল্লালপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁর দেহের কিছু অংশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এই মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া দেহাংশ জঙ্গিপুর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছিল, সুদের টাকা নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল। সেই বচসার জেরেই সুজিতকে খুন করা হয়েছিল বলে অনুমান করেছিলেন তদন্তকারীরা।

অপরদিকে আজ গাইঘাটায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধৃত মূল অভিযুক্তকেও এনকাউন্টার করে রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে তাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়েছিল তদন্তকারীরা। সেখান থেকে ফেরার পথেই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে খবর, আচমকাই এক পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্ত। এর পর পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। প্রাণ বাঁচাতে এক পুলিশ আধিকারিক খালে ঝাঁপ দেন। অন্য এক আধিকারিক পাল্টা কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। তাতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ। তারপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।