নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আনুলিয়ার ভ্রাতৃসঙ্ঘের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল প্রশাসন। তিনতলা নির্মাণ বন্ধের নোটিস জারি করা হয়েছিল আগেই। এবার নির্মীয়মাণ বেআইনি তিনতলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল ব্লক প্রশাসন। নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
Advertisement
রবিবার রানাঘাটের আনুলিয়া বাজারে ভ্রাতৃসঙ্ঘের নির্মীয়মাণ তিনতলার ঢালাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। নীচে বসে থাকা একাধিক মাছ ও সব্জি ব্যবসায়ী, নির্মাণকর্মী, বাজারের ক্রেতা জখম হন। বরাতজোরে প্রাণ বাঁচে বহু মানুষের। যদিও এক সব্জি ব্যবসায়ীর পা শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়। কল্যাণী জিএনএম হাসপাতালের ওই দিনই অস্ত্রোপচার হয় তাঁর। পরে সরকারি নথি উল্টে জানা যায়, ওই ক্লাব বিনা অনুমতিতেই তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করছিল। ফলে নির্মীয়মাণ অংশ ভেঙে পড়ার পুরো দায় বর্তায় ওই ক্লাবের উপরই।
শুধু তাই নয়, খতিয়ে দেখার পর জানা যায় ভ্রাতৃসঙ্ঘ রীতিমতো দাদাগিরি চালিয়ে সব্জি ও মাছ বিক্রেতাদের থেকে তোলা তুলত। শুধু ভ্রাতৃসঙ্ঘই নয়, তোলাবাজি চালাত আরও দু’টি ক্লাব— একান্নবর্তী ও মিলেনিয়াম ক্লাবও। ক্লাবগুলির দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীরা। দুর্ঘটনার পর সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বেআইনি তিনতলা নির্মাণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন রানাঘাট ১ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক জয়দেব মণ্ডলও। দপ্তরে ফিরে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিস জারি করেন তিনি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কেন বেআইনি নির্মাণ হচ্ছিল তার কারণ দর্শিয়ে ‘মুচলেখা’ দিতে বলা হয়েছে তাদের। শুধু তাই নয়, নির্মীয়মাণ বেআইনি তিনতলার অংশ দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয় ক্লাব কর্তৃপক্ষকে।
বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট ১ ব্লকের বিডিও জয়দেব মণ্ডল বলেন, আমরা আইন অনুযায়ী নির্দেশ দিয়েছি। যদি ক্লাব কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ মেনে নেয় তাহলে প্রশাসনিক সহযোগিতা করা হবে। না হলে আমাদের কাছে পদক্ষেপ করার জায়গা রয়েছে। বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। এদিকে, কাজ বন্ধের নোটিস জারি হলেও সাধারণ মানুষ চাইছেন, ক্লাবগুলির তোলাবাজি বন্ধ করতেও প্রশাসন উপযুক্ত পদক্ষেপ করুক। অতীতে জমি কেনাবেচার অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছিল রানাঘাটের দু’টি ক্লাব। এবার তোলাবাজির অভিযোগ উঠল আনুলিয়ার তিন ক্লাবের বিরুদ্ধে। - নিজস্ব চিত্র
শুধু তাই নয়, খতিয়ে দেখার পর জানা যায় ভ্রাতৃসঙ্ঘ রীতিমতো দাদাগিরি চালিয়ে সব্জি ও মাছ বিক্রেতাদের থেকে তোলা তুলত। শুধু ভ্রাতৃসঙ্ঘই নয়, তোলাবাজি চালাত আরও দু’টি ক্লাব— একান্নবর্তী ও মিলেনিয়াম ক্লাবও। ক্লাবগুলির দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীরা। দুর্ঘটনার পর সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বেআইনি তিনতলা নির্মাণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন রানাঘাট ১ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক জয়দেব মণ্ডলও। দপ্তরে ফিরে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিস জারি করেন তিনি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কেন বেআইনি নির্মাণ হচ্ছিল তার কারণ দর্শিয়ে ‘মুচলেখা’ দিতে বলা হয়েছে তাদের। শুধু তাই নয়, নির্মীয়মাণ বেআইনি তিনতলার অংশ দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয় ক্লাব কর্তৃপক্ষকে।
বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট ১ ব্লকের বিডিও জয়দেব মণ্ডল বলেন, আমরা আইন অনুযায়ী নির্দেশ দিয়েছি। যদি ক্লাব কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ মেনে নেয় তাহলে প্রশাসনিক সহযোগিতা করা হবে। না হলে আমাদের কাছে পদক্ষেপ করার জায়গা রয়েছে। বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। এদিকে, কাজ বন্ধের নোটিস জারি হলেও সাধারণ মানুষ চাইছেন, ক্লাবগুলির তোলাবাজি বন্ধ করতেও প্রশাসন উপযুক্ত পদক্ষেপ করুক। অতীতে জমি কেনাবেচার অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছিল রানাঘাটের দু’টি ক্লাব। এবার তোলাবাজির অভিযোগ উঠল আনুলিয়ার তিন ক্লাবের বিরুদ্ধে। - নিজস্ব চিত্র



