নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবীন্দ্রভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার ক্যাম্পাসে ২৬ জানুয়ারির অনুষ্ঠানে তিনি বাবা সাহেব আম্বেদকর প্রসঙ্গে যা যা বলেছেন, তা নিয়ে আপত্তি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সংবিধান প্রণয়নে আম্বেদকরের ভূমিকাকে অগ্রাহ্য করে সাংবিধানিক অ্যাসেম্বলির পরামর্শদাতা বেনেগাল নরসিংহ রাওকে সংবিধানের প্রথম খসড়ার প্রণেতা হিসেবেই স্বীকৃতি দেন তিনি। স্রেফ ভূমিকা খারিজ করাই নয়, এক ব্রাহ্মণ পরিবার ভীমরাও রামজি আম্বেদকরকে দত্তক নিয়ে লেখাপড়া শিখিয়েছে এবং তাদের পদবি ‘আম্বেদকর’ও ব্যবহার করতে দিয়েছে। উপস্থিত একটি ছোট ভিড়ের উদ্দেশে তাঁকে এরকম বক্তব্যও পেশ করতে দেখা গিয়েছে। অনেকেরই বক্তব্য, তাঁর বাচনভঙ্গি ছিল পুরো বিজেপি নেতাদের মতো।
Advertisement
এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সংগঠন শিক্ষাবন্ধু সমিতি সোমবার ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয়। তাদের তরফে আম্বেদকরের ছবিতে মাল্যদানও করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সমিতি আরবুটার যুগ্ম সম্পাদক স্নিগ্ধা নস্কর বলেন, ‘উপাচার্য ঠিক কী এবং কেন বলেছেন, সেই ব্যাখ্যা তিনিই দিতে পারবেন। ব্যাখ্যাটি আমার দেওয়া সমীচীন হবে না। তবে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীরা বিভিন্ন অছিলায় আম্বেদকরকে অপমান করছেন। আসলে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন তথা সংবিধান প্রণয়নে এদের পূর্বসূরিদের কোনও ভূমিকাই ছিল না। তাই তাঁরা এ ধরনের মন্তব্য করেন। তীব্র বিরোধিতা জানিয়ে বলতে চাই, আম্বেদকরই ভারতীয় সংবিধানের প্রণেতা। কারও কথায় এটা পাল্টে যাবে না।’
আম্বেদকরকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার জেরে একাধিক দিন অচল হয়ে যায় সংসদের অধিবেশন। রাজনৈতিক মহেলর একাংশের দাবি, এসব কথা বলে বিজেপিকেই সম্তুষ্ট করতে চাইছেন উপাচার্য। কারণ, বিজেপির এজেন্ডা নিয়ে এরাজ্যে আসা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের প্রার্থী তিনি। শিক্ষাবিদ না-হওয়া সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির পরিচয়ে তিনি উপাচার্য হয়েছিলেন।
এদিকে, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগ্য প্রার্থী না মেলায় তিনি এখনও চেয়ারে থাকতে পারছেন। তাই তাঁর বাড়তি তাগিদ রয়েছে। শুভ্রকমলবাবুর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন শাসকপন্থী অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার শীর্ষনেতা তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মণিকান্ত পড়িয়া। তাঁর বক্তব্য, ‘উপাচার্যের গলায় বিজেপি নেতাদের সুরই শোনা গিয়েছে। বি আর আম্বেদকরকে নিন্দা করা বিজেপি যেভাবে তাদের এজেন্ডায় পরিণত করেছে, এ ধরনের ভাষ্য তারই অঙ্গ।’
আম্বেদকরকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার জেরে একাধিক দিন অচল হয়ে যায় সংসদের অধিবেশন। রাজনৈতিক মহেলর একাংশের দাবি, এসব কথা বলে বিজেপিকেই সম্তুষ্ট করতে চাইছেন উপাচার্য। কারণ, বিজেপির এজেন্ডা নিয়ে এরাজ্যে আসা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের প্রার্থী তিনি। শিক্ষাবিদ না-হওয়া সত্ত্বেও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির পরিচয়ে তিনি উপাচার্য হয়েছিলেন।
এদিকে, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগ্য প্রার্থী না মেলায় তিনি এখনও চেয়ারে থাকতে পারছেন। তাই তাঁর বাড়তি তাগিদ রয়েছে। শুভ্রকমলবাবুর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন শাসকপন্থী অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার শীর্ষনেতা তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মণিকান্ত পড়িয়া। তাঁর বক্তব্য, ‘উপাচার্যের গলায় বিজেপি নেতাদের সুরই শোনা গিয়েছে। বি আর আম্বেদকরকে নিন্দা করা বিজেপি যেভাবে তাদের এজেন্ডায় পরিণত করেছে, এ ধরনের ভাষ্য তারই অঙ্গ।’



