Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

অ্যালেনের শতরানে সহজ জয় নাইটদের, ব্যর্থ রাহুল, দুরন্ত বোলিং নারিনের

নিজেরই বড় শটে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার সুযোগ ছিল ক্যামেরন গ্রিনের সামনে। কিন্তু টিম স্পিরিটের নিদর্শন রেখে তিনি শতরানের সুযোগ দিলেন ফিন অ্যালেনকে। যা দু’হাতে আঁকড়ে ধরলেন কিউয়ি ওপেনার।

অ্যালেনের শতরানে সহজ জয় নাইটদের, ব্যর্থ রাহুল, দুরন্ত বোলিং নারিনের
  • ৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নিজেরই বড় শটে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার সুযোগ ছিল ক্যামেরন গ্রিনের সামনে। কিন্তু টিম স্পিরিটের নিদর্শন রেখে তিনি শতরানের সুযোগ দিলেন ফিন অ্যালেনকে। যা দু’হাতে আঁকড়ে ধরলেন কিউয়ি ওপেনার। শুক্রবার কোটলাতে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরির পাশাপাশি দু’পয়েন্টও নিশ্চিত করলেন। দিল্লি ক্যাপিটালসকে দুরমুশ করে ৮ উইকেটে এই জয়ের সুবাদে তালিকায় সাত নম্বরে উঠে এল সোনালি-বেগুনি জার্সিধারীরা। ১০ ম্যাচে অজিঙ্কা রাহানের দলের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট। টানা চার ম্যাচ জিতে কলকাতা এখন দারুণভাবে প্লে-অফের লড়াইয়ে। 

Advertisement

গত তিন ম্যাচেই বিপক্ষকে ১৬৫ পেরতে দেয়নি কলকাতা। এদিনও জ্বলে উঠলেন বোলাররা। দিল্লি আট উইকেট হারিয়ে থামে ১৪২ রানে। অনুকূল রায় (২-৩১), সুনীল নারিন (১-১৭) ও বরুণ চক্রবর্তী (০-২৮)— তিন স্পিনারের সামনে অসহায় দেখায় হোমটিমকে। দিল্লির ১২ ওভারে ওঠে মাত্র ৭৬ রান! জবাবে ১৪.২ ওভারে জয়ের স্টেশনে পৌঁছায় কলকাতা (১৪৭-২)।
অথচ, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ২৯ বলে বিনা উইকেটে ৪৯ তুলে ফেলে দিল্লি। কিন্তু এরপরই তাসের ঘরের মতো পড়ল উইকেট। পরের ৪৩ বলে ৪১ উঠলেও ডাগ-আউটে ফিরলেন পাঁচজন। শুরুটা হল লোকেশ রাহুলের (২৩) পতনের মধ্যে দিয়ে। তবে এক অনন্য কীর্তির মালিক হলেন তিনি। পাঞ্জাব কিংস ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের পর দিল্লির হয়েও এক হাজার রান করে ফেললেন। তিন আলাদা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে হাজার রানের কৃতিত্ব কারও নেই। 
নীতীশ রানা (৮), সমীর রিজভির (৩) পর গেলেন ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাও (৫০)। তিনিই টানছিলেন দলকে। কিন্তু অনুকূলের বলে পাথুম স্টাম্পড হলেন অনেকটা বেরিয়ে মারতে এসে। তাঁর ২৯ বলের ইনিংসে রয়েছে পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কা। এরপর অনুকূলই বোল্ড করলেন ট্রিস্টান স্টাবসকে (২)। ৮৯-৫ হওয়ার পর থমকে গেল দিল্লির ইনিংস। ১২ থেকে ১৬ ওভারের মধ্যে উঠল মাত্র ১১ রান। আইপিএলের ইতিহাসে যা রেকর্ড। গত বছর চিপকে কলকাতার বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস এই মেয়াদে তুলেছিল ১২ রান। শেষের দিকে আশুতোষ শর্মা (৩৯) চেষ্টা করেছিলেন স্কোর দেড়শো পার করতে। কিন্তু কার্তিক ত্যাগী (২-২৫) দারুণ বল করলেন শেষ ওভারে। তবে বরুণের খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বোলিংই উদ্বেগ আনছে। 
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কলকাতার। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে (১৩)। অঙ্গকৃশ রঘুবংশীও (১) অদ্ভুতভাবে বোল্ড হলেন। চার ওভারের মধ্যে ৩১-২, চাপে দেখাচ্ছিল নাইটদের। সেখান থেকে ফিন অ্যালেনের (অপরাজিত ৫৩) ব্যাটেই আসে স্বস্তি। ছক্কা মেরে ৩২ বলে পঞ্চাশে পৌঁছন তিনি। একশোতেও পৌঁছান ছক্কা মেরে। অ্যালেনের (অপরাজিত ১০০) ৪৭ বলের ইনিংসে ছিল ১০টা ছক্কা ও পাঁচটা চার।  ক্যামেরন গ্রিন ২৭ বলে অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে।
আগের তিন ম্যাচের জয়ী দলই এদিন ধরে রেখেছিল কলকাতা। যথারীতি এগারোর বাইরে থাকেন মাথিশা পাথিরানা। এদিন গ্যালারিতে দেখা গেল টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে। জাতীয় নির্বাচক আরপি সিংয়ের পাশে বসে ম্যাচ দেখলেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ