Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬

চাকরির টোপে দেহ ব্যবসায় নামানো, তরুণীদের ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশে মধুচক্রের পর্দা ফাঁস, ধৃত দুই বোন

টার্গেট গরিব, অসহায় তরুণীরা। সুযোগ বুঝে মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতনের ঘরোয়া কাজের প্রতিশ্রুতি। সঙ্গে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া ও ‘হাই-প্রোফাইল লাইফস্টাইলে’র লোভ

চাকরির টোপে দেহ ব্যবসায় নামানো, তরুণীদের ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশে মধুচক্রের পর্দা ফাঁস, ধৃত দুই বোন
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভোপাল: টার্গেট গরিব, অসহায় তরুণীরা। সুযোগ বুঝে মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতনের ঘরোয়া কাজের প্রতিশ্রুতি। সঙ্গে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া ও ‘হাই-প্রোফাইল লাইফস্টাইলে’র লোভ। অবিশ্বাসের তেমন কোনো জায়গা ছিল না। সহজেই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন বহু তরুণী। তারপরের ঘটনা একেবারে অপ্রত্যাশিত। জোর করে মাদক খাওয়ানো, ধর্ষণ থেকে শুরু করে ধর্মান্তরকরণ। তরুণীদের চাকরির টোপ দিয়ে মধুচক্র চালানোর অভিযোগে সোমবার মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে দুই বোনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম আমরিন ও আফরিন। তাঁদের এক সহযোগী চন্দন যাদবকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিন অভিযুক্ত বিলাল, চানু ও ইয়াসির পলাতক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। রবিবার রাতে ভোপালের বাগ সেওয়ানিয়া থানার দ্বারস্থ হয় ২১ ও ৩২ বছরের দুই মহিলা। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেই  মধুচক্রের পর্দা ফাঁস করল পুলিশ। 

Advertisement

একসময় আব্বাস নগরের এক বস্তিতে থাকতেন দুই বোন। সম্প্রতি ভোপালের সাগর রয়্যাল ভিলার বিলাসবহুল বাংলোতে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। মধুচক্রের টাকাতেই এই রমরমা বলে অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের। অভিযোগকারী দুই মহিলার কথায়, প্রায়শই তাঁদের বড়ো বড়ো পার্টিতে যাওয়া হতো। সেখানে তাঁদের ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করানো থেকে শুরু করে মাদক সেবনেও বাধ্য করা হতো। এরপর চলত শারীরিক নির্যাতন। এদের মধ্যে একজন ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গতবছর আমায় আমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আমরিনের আত্মীয় ইয়াসির আমায় ধর্ষণ করে। বিলাল ও চানুও একাধিকবার যৌন হেনস্তা করেছে।’ আর এক মহিলার কথায়, ‘ধৃত চন্দন যাদব আমায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেছিল। চাপে পড়ে বোরখা পরার পাশাপাশি নামাজও পড়তে হত।’ ধৃতদের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেইসূত্রেই একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের হদিশ মিলেছে। মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত ও মুম্বইয়ের পাশাপাশি আর কোথায় এই জাল ছড়িয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ