


সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: সবার চোখের সামনেই আবর্জনার পাহাড় জমছে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে! আর সেখান থেকেই গোরু, কুকুর সেসব মুখে তুলে নিয়ে গিয়ে চারদিকে ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধে টেকা দায়। এর উপর আবার কে বা কারা সেসব আবর্জনায় আগুন দিয়ে দিচ্ছে। ফলে প্লাস্টিক পোড়া ধোঁয়ায় ছড়াচ্ছে ব্যাপক দূষণ। দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী থেকে চিকিৎসক, নার্স সহ অন্য কর্মীদের। অভিযোগ, নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার না হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অথচ পুরসভা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কারও হুঁশ নেই। রোগীর পরিজনদের কথায়, চারদিকে আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে টেকাই দায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে তা ময়নাতদন্ত ঘরের সামনের এলাকায় জমা করা হয়। সেখান থেকে জমা আবর্জনা তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা পুরসভার। অভিযোগ, পুরসভা নিয়মিত আবর্জনা তুলে নিয়ে যাচ্ছে না।
খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, হাসপাতাল থেকে আমাদের সাফাই কর্মীরা নিয়মিতই আবর্জনা পরিষ্কার করেন। তাও যদি জমা হয়ে থাকে তাহলে তা তুলে নেওয়া হবে। হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবের কথায়, আবর্জনা জমা রয়েছে এটা ঠিক। অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে কে বা কারা সেই আবর্জনায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। ডাক্তারদেরও অভিযোগ, আবর্জনায় প্লাস্টিক থাকায় তার ধোঁয়া দূষণ ছড়াচ্ছে। বিষয়টা দেখা হচ্ছে। আবর্জনা তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুরসভাকে অনুরোধ করা হবে।
পুরসভার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বিভিন্ন রংয়ের প্যাকেটে যেসব আবর্জনা থাকে তা পুরসভার তোলার কথা নয়। সেরকম অনেক প্যাকেট পড়ে থাকে। সেগুলি বায়োমেট্রিক। বাকি জমা আবর্জনা তুলে নেওয়া হবে। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, এটা বোঝার ভুল হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্যাকেটে ওয়ার্ডগুলিতে ব্যবহৃত বর্জ্য থাকে। বায়োমেট্রিকগুলি অন্যত্র রাখা হয়। ওই এলাকায় সেগুলি ফেলা হয় না।