থানায় কালীপুজো ঘিরে অস্থায়ী দোকানে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: কালীপুজোয় চাঁদা ঘিরে বিতর্ক। তবে এবার কোনো ক্লাব বা পুজো কমিটি নয়, খোদ থানার কালীপুজোর নাম করে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠল পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে। ডুমুরজলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন রিং রোডের ধারে অস্থায়ী খাবারের দোকানদারদের কাছে চ্যাটার্জিহাট থানায় কালীপুজোর জন্য তিন হাজার টাকা করে চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে ব্যবসায়ীদের একাংশ। যদিও এখনও পর্যন্ত এনিয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

Advertisement

ডুমুরজলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন রিং রোডের ধারে ছোটো-বড়ো মিলিয়ে শতাধিক অস্থায়ী খাবারের দোকান রয়েছে। কেউ চা বিক্রি করেন, কেউ ঘুগনি-মুড়ি, কেউ আবার ফাস্টফুডের দোকান চালান। দিনের পাশাপাশি সন্ধ্যার পরেও এই দোকানগুলিতে ভিড় জমান বিভিন্ন বয়সের মানুষ। অভিযোগ, দিন দুয়েক আগে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের অজান্তেই ব্যবসায়ীদের ডেকে কালীপুজোর চাঁদা দাবি করা হয়। কে কত টাকা দিতে পারবেন, তা নিয়ে আলোচনা করতে তাঁদের থানায় ডাকা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সামান্য ব্যবসার আয়ে সংসার চালানো এই ছোটো ব্যবসায়ীদের অনেকের পক্ষেই তিন হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। চাঁদা দিতে না পারলে আগামী দিনে উচ্ছেদের নামে তাঁদের দোকান তুলে দেওয়া হতে পারে, এমন আশঙ্কাও করছেন কেউ কেউ।
তবে ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে ভিন্ন সুরও রয়েছে। কয়েকজনের দাবি, প্রথমে তিন হাজার টাকা করে চাওয়া হলেও পরে জানানো হয়, যাঁর যেমন সামর্থ্য, সেই অনুযায়ী চাঁদা দিতে পারেন। তাঁদের কথায়, চাঁদা নিয়ে কোনো জোরজুলুম করা হয়নি। কয়েকজন আবার দাবি করেছেন, থানা থেকে কোনো টাকা চাওয়া হয়নি। তাঁরাই নিজেদের ইচ্ছায় সামর্থ্য অনুযায়ী পুজোর জন্য সামান্য কিছু টাকা দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। এলাকায় চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়তেই অধিকাংশ ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাননি। কেউ কেউ এড়িয়ে গিয়েছেন বিষয়টি। পুলিশের তরফেও এই অভিযোগ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।