Bartaman Logo
২৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বড়মা মন্দিরে প্রণামী ও দান সামগ্রী চুরির অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি

রাম মন্দির সহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের দান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষোভের বিস্ফোরণ হয়েছে। এবার নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরের প্রণামী ও দান সামগ্রী নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল।

বড়মা মন্দিরে প্রণামী ও দান সামগ্রী চুরির  অভিযোগ, তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি
  • ৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: রাম মন্দির সহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের দান সামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষোভের বিস্ফোরণ হয়েছে। এবার নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরের প্রণামী ও দান সামগ্রী  নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। ইতিমধ্যেই কালী মন্দিরের পুরানো কমিটি সহ এলাকাবাসীর সই সম্বলিত স্মারকলিপি পুলিশ কমিশনারেটে জমা পড়েছে। বর্তমান মন্দির কমিটির পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার নৈহাটিজুড়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে রবিবার মন্দির কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগের পালটা সাফাই দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সমস্ত নথি ও অডিট রিপোর্ট রয়েছে। প্রশাসন তদন্ত শুরু করলে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। 

Advertisement

২০২৩ সালে নৈহাটিতে বড়মা মন্দির তৈরি হয়। তার আগে বাৎসরিক পুজো ও চারদিনের উৎসব হত। ২০১১ সাল থেকে মন্দির কমিটির সম্পাদক পদে রয়েছেন তাপসবাবু। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি, কমিশনারেটে জমা হওয়া অভিযোগে মায়ের গয়না, দান বাক্সে জমা পড়া টাকা, জমি কেনা সহ নানা বিষয়ে বিপুল অনিয়ম ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়েছে। 
এমনকি, মন্দির কমিটির এক সদস্য মায়ের প্রণামী বাক্স চুরি করেছিল। শুধু তাই নয়, মধ্যরাতে মন্দির খুলে নেতা-মন্ত্রীদের যজ্ঞ ও জন্মদিন পালনের অভিযোগও উঠেছে। এই বিষয়ে তাপসবাবু বলেন, সাংসদ পার্থ ভৌমিকের লোকজন প্রভাব খাটিয়ে রাতে মন্দির খোলাতেন। আমি সম্পাদক হলেও স্বাধীনভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না। মায়ের গয়না ও সম্পত্তির সমস্ত ভ্যালুয়েশন ও নথি রয়েছে। অডিট রিপোর্টও আছে। আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ