নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিন, অর্থাৎ ২০ জুলাই শুধু সভার অন্দরে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। অথচ রোজই তিনি সংসদ ভবনে আসছেন। একই পথ অনুসরণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই ‘মোদি-শাহ সদন মে আও। সদন মে আ কে জবাব দো’—বিরোধীদের এই স্লোগানে প্রায় প্রতিদিন উত্তাল হচ্ছে সংসদ। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো মাথাচাড়া দিয়েই রয়েছে রামমন্দির ইস্যু। আজ, সোমবারও এই ইস্যুতে অচল হবে সংসদ। তেমনই পরিকল্পনা বিরোধীদের। গত শুক্রবার সংসদ চত্বরে পথনাটিকার আঙ্গিকে প্রণামি চুরির অভিনব প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে। তার জেরে রাহুল গান্ধী, পাপ্পু যাদব এবং অবধেশ প্রসাদের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। তাতেও থেমে নেই কংগ্রেস। রবিবার এআইসিসিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার প্রমোদ তিওয়ারি তোপ দেগেছেন। বলেছেন, ‘রামমন্দিরে স্রেফ প্রণামি চুরিই হয়নি। আস্থা চুরি হয়েছে। ভক্তদের ভক্তির টাকা লুট হয়েছে। আর সেই চুরি করেছে বিজেপি।’ কৌশলে তিনি বলেন, ‘বিজেপির সবাই প্রণামি চোর, এটা বলছি না। কিন্তু সব প্রণামি চোরই বিজেপি। সঠিক তদন্ত হলেই সেটা ধরা পড়বে।’ সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) তৈরি করে তদন্তের দাবি তুলে প্রমোদ তিওয়ারি বলেন, ‘রামমন্দিরের প্রণামি চুরিতে এখনও পর্যন্ত চুনোপুঁটি কয়েকজন ধরা পড়েছে। রাঘব বোয়ালদের ধরতে হবে।’



