Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আলিপুরদুয়ার: পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনযুদ্ধ দেখা যাবে সুতলিপট্টি সর্বজনীনের মণ্ডপে, মলিন সংঘ বানাচ্ছে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি

আলিপুরদুয়ার শহরে বক্সা ফিডার রোডের ধারে পাশাপাশি দু’টি পুজো। একটি মিলন সংঘ অন্যটি রামরূপ সিংহ রোড সুতলিপট্টি সর্বজনীন।

আলিপুরদুয়ার: পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনযুদ্ধ দেখা যাবে সুতলিপট্টি সর্বজনীনের মণ্ডপে, মলিন সংঘ বানাচ্ছে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার শহরে বক্সা ফিডার রোডের ধারে পাশাপাশি দু’টি পুজো। একটি মিলন সংঘ অন্যটি রামরূপ সিংহ রোড সুতলিপট্টি সর্বজনীন। থিমের মণ্ডপের কারণে এবার তাঁদের পুজো দর্শকদের নজর কাড়বে বলে পুজো কমিটিগুলির দাবি। মিলন সংঘের পুজো মণ্ডপের থিম জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। অন্যদিকে, সুতলিপট্টি সর্বজনীনের মণ্ডপে দেখা যাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনযুদ্ধ।

Advertisement

অসংগঠিত সমস্ত শ্রমিক সহ পরিযায়ী শ্রমিকদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের যে জীবনযুদ্ধ সেই ছবিই ফুটে উঠবে সুতলিপট্টির মণ্ডপে। ভিনরাজ্যে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা কীভাবে কাজ করেন, তারই ছবি দেখানো হবে মণ্ডপে। এছাড়াও মণ্ডপে ফিরে আসছে পুরনো দিনের সেই টানা রিকশ। এদিকে, আগের দিনে কাঁধে ঝোলা ব্যাগ ও কলম নিয়ে সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে যেতেন। পুজো মণ্ডপে সাংবাদিকদের অতীত দিনের জীবনযুদ্ধের সেই হালহকিতও ফিরে আসবে। সুতলিপট্টির মণ্ডপে ঢোকার মুখে দু’টি নৌকা থাকবে। সেই নৌকা করে নদী পেরিয়ে শ্রমিকরা কীভাবে কাজে যাচ্ছেন তা দেখানো হবে। প্রতিমাতেও থাকছে শ্রমিকের জীবনযুদ্ধ। এখানে দেবী উমাকে ইটভাটায় দেখা যাবে মাথায় ইট নিয়ে যেতে। কোলে গণেশ। মায়ের আঁচল ধরে থাকবে কার্তিক। মহিষাসুরকে দেখা যাবে পাথর ভাঙতে। পুজো কমিটির সম্পাদক সঞ্জয় সরকার বলেন, ৬৩তম বছরে আমাদের এই থিমের মণ্ডপ তৈরি করছে কৃষ্ণনগরের মণ্ডপ শিল্পীরা। শহরের পালপাড়ায় এসে প্রতিমা তৈরি করছেন ওখানকার শিল্পীরাই। আর আমাদের বাড়তি আকর্ষণ অবশ্যই চন্দননগরের মায়াবী বাহারি আলোকসজ্জা।
এদিকে, মিলন সংঘের দুর্গাপুজো এবছর ৮৩ বছরে পড়ল। পুজো মণ্ডপে হুবহু উঠে আসবে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। মণ্ডপে দেখা যাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ও মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিও। নবদ্বীপের মণ্ডপ শিল্পীরা এই থিমের মণ্ডপ ফুটিয়ে তুলছে। প্রতিমা তৈরি হচ্ছে ঠাকুরবাড়ির আদলে। প্রতিমা তৈরি করছেন দিনহাটার মৃৎশিল্পীরা। থাকছে চন্দননগরের আলোকমালা। পুজো কমিটির সভাপতি শ্যামল রায় বলেন, পুজোর উদ্বোধনী দিনে এলাকার দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করা হবে। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত টানা তিনদিন ভক্তদের মধ্যে খিচুড়ি বিলি করা হবে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ