নয়াদিল্লি: প্রায় ছ’দশক পুরনো রায় বাতিল! খুলল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) ‘সংখ্যালঘু’ তকমা ফিরে পাওয়ার পথ। অবসরগ্রহণের আগে শুক্রবার এক বড়সড় বিতর্কের অবসান ঘটালেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। ১৯৬৭ সালে এএমইউ’র ‘সংখ্যালঘু’ তকমা বাতিল করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার সুবাদে তা থাকতে পারে না। ৫৭ বছর পুরনো সেই রায় এদিন খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। যদিও সর্বোচ্চ আদালতের এদিনের রায় সর্বসম্মত নয়। বিদায়ী প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়, পরবর্তী প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র পক্ষে মত দেন। ভিন্নমত প্রকাশ করেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এস সি শর্মা। দু’পক্ষ আলাদা রায় লিখেছেন।
Advertisement
এএমইউ ‘সংখ্যালঘু’ তকমা ফিরে পাবে কি না, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালত কোনও নির্দেশ দেয়নি। এদিনের রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত নেবে তিন সদস্যের রেগুলার বেঞ্চ। তবে সেই বেঞ্চ এখনও গঠিত হয়নি। যদিও আগের রায় বাতিলের খবর আসতেই উৎসব শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। বাজি পুড়িয়ে মিষ্টি বিলি করেছেন পড়ুয়া ও কর্মচারীরা।
ফেব্রুয়ারিতে এই মামলার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেছিলেন, গত কয়েক দশকে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে বিপুল অঙ্কের অনুদান গ্রহণ করেছে এএমইউ। এর ফলে নিজেদের সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বর্জন করেছে তারা। সলিসিটর জেনারেলের সে বক্তব্য অবশ্য ধোপে টেকেনি সাংবিধানিক বেঞ্চে। সংখ্যাগরিষ্ঠের হয়ে এদিন রায় পড়ে শোনান প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। যেখানে ‘সংখ্যালঘু’ তকমা ইস্যুতে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকড়ের সন্ধানে জোর দেওয়া হয়েছে। চার বিচারপতি তাঁদের রায়ে স্পষ্ট বলেছেন, ১৯২০ সালে তৎকালীন ইংরেজ সরকার মহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করেছিল। তার অর্থ এই নয় যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রতিষ্ঠাতা’ নন।
যদিও এএমইউ সংখ্যালঘু নয় বলে রায় দিয়েছেন বিচারপতি দত্ত। অন্যদিকে বিচারপতি শর্মার মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপরে উপরে সংখ্যালঘুদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেও কোনও রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
ফেব্রুয়ারিতে এই মামলার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেছিলেন, গত কয়েক দশকে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে বিপুল অঙ্কের অনুদান গ্রহণ করেছে এএমইউ। এর ফলে নিজেদের সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বর্জন করেছে তারা। সলিসিটর জেনারেলের সে বক্তব্য অবশ্য ধোপে টেকেনি সাংবিধানিক বেঞ্চে। সংখ্যাগরিষ্ঠের হয়ে এদিন রায় পড়ে শোনান প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। যেখানে ‘সংখ্যালঘু’ তকমা ইস্যুতে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকড়ের সন্ধানে জোর দেওয়া হয়েছে। চার বিচারপতি তাঁদের রায়ে স্পষ্ট বলেছেন, ১৯২০ সালে তৎকালীন ইংরেজ সরকার মহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করেছিল। তার অর্থ এই নয় যে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রতিষ্ঠাতা’ নন।
যদিও এএমইউ সংখ্যালঘু নয় বলে রায় দিয়েছেন বিচারপতি দত্ত। অন্যদিকে বিচারপতি শর্মার মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপরে উপরে সংখ্যালঘুদের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেও কোনও রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।



