Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আকর্ষণ বাড়াতে ইলামবাজারের আমখই উড ফসিল পার্কে কিউআর কোডের ভাবনা

আকর্ষণ বাড়াতে ইলামবাজারের আমখই উড ফসিল পার্কে কিউআর কোডের ভাবনা
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, ইলামবাজার: ইলামবাজারের আমখই উড ফসিল পার্কে ক্রমশ পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। বইয়ের পাতা থেকে পরিচয় হওয়া উদ্ভিদের জীবাশ্ম দেখতে বহু পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন। রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে ৩২৬জন পর্যটক ওই পার্কে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাঁদের একাংশ কিছুটা হলেও হতাশ হয়ে ফিরেছেন। পর্যটকদের একাংশ জানিয়েছেন, ওই পার্কে বহু জীবাশ্ম নজরে এসেছে। কিন্তু কোন জীবাশ্ম কোন গাছের তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না। তাঁদের দাবি, প্রতিটি জীবাশ্ম সম্পর্কে উপযুক্ত তথ্য তুলে ধরা হলে খুব ভালো হয়। বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে জেলা পর্যটন দপ্তরও। সেক্ষেত্রে এবার জেলা পর্যটন দপ্তর প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছে। জীবাশ্ম সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরতে কিউআর কোড বসানোর ভাবনা রয়েছে। যা স্ক্যান করে পর্যটকরা সহজেই প্রতিটি জীবাশ্ম সম্পর্কে সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন। এতে আগামী দিনে এই পার্কটি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
Advertisement
ইলামবাজারের চৌপাহাড়ী জঙ্গলে কয়েক বছর আগে আমখই উড ফসিল পার্ক গড়ে উঠেছে। সেখানে শতাধিক উদ্ভিদের জীবাশ্ম সুসজ্জিতভাবে রাখা হয়েছে। পার্কে একাধিক জলাশয়ও সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পর্যটকদের নজর কাড়তে কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। জীবাশ্মগুলি সম্পর্কে বেশকিছু তথ্যও ফলকের সাহায্যে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, কবে এবং কীভাবে সেগুলির হদিশ মিলেছে। কীভাবে সেগুলি জীবাশ্মে পরিণত হয়েছে। সেই তথ্য অনুযায়ী, জীবাশ্মগুলি মূলত সপুষ্পক উদ্ভিদের কাণ্ড ছিল। পার্কে থাকা সবচেয়ে বড় জীবাশ্মের পরিধি ২.৪৫মিটার। যদিও কোন জীবাশ্ম কোন উদ্ভিদ বর্গের তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ নেই। এতেই পর্যটকদের অনেকে হতাশ হচ্ছেন। পর্যটকদের একাংশের দাবি, পার্কে থাকা জীবাশ্মগুলি নামাঙ্কিত করা প্রয়োজন। এতে ওই পার্কের প্রতি পড়ুয়া সহ পর্যটকদের ঝোঁক আরও বাড়বে। জেলা পর্যটন দপ্তরের আধিকারিকরা ইতিমধ্যে এনিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন। জানা গিয়েছে, প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সেখানে কিউআর কোড বসানো হবে। প্রতিটি জীবাশ্মের জন্য আলাদা কিউআর কোড করা হবে। নির্দিষ্ট কিউআর কোড স্ক্যান করে পর্যটকরা জীবাশ্ম সম্পর্কে সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন। 
নানুরের বাসাপাড়ার বাসিন্দা সমরেশ নাগ সহকর্মীদের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, জীবাশ্মগুলি দেখে ভালো লাগল। কিন্তু একসময় মনে হল পাথর দেখছি। কারণ কোন জীবাশ্ম কোন উদ্ভিদের তার কিছুই উল্লেখ নেই। তার ব্যবস্থা করা হলে খুব ভালো হয়। এতে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়বে। জেলা পর্যটন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। সেখানে কিউআর কোড বসিয়ে প্রতিটি জীবাশ্ম সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হবে। দ্রুত কাজ করার চেষ্টা চলছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ