সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: ভারত থেকে বাংলাদেশে বোল্ডার রপ্তানি নিয়ে জটিলতা পুরোপুরি না কাটলেও আজ, শনিবার থেকে তা স্বাভাবিক হওয়ার আশায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে বাংলাদেশে যেমন পণ্য রপ্তানি করা হবে, তেমনই বাংলাদেশ থেকেও পণ্য আমদানি করা হয়।
Advertisement
ভারত থেকে প্রতি টন বোল্ডার ১০ ডলার হিসেবে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয়। এই দরে বোল্ডার আমদানি করে তাদের লাভ হচ্ছে না দাবি করে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ ভারত থেকে বোল্ডার নিচ্ছে না। যার জেরে বোল্ডার রপ্তানি বন্ধ। তবে বোল্ডার পাঠানো বন্ধ থাকলেও অন্য পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। যেহেতু এই স্থলবন্দর দিয়ে বেশিমাত্রায় বোল্ডার বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয়, স্বাভাবিকভাবে ওপারের ব্যবসায়ীরা বোল্ডার আমদানি বন্ধ করে রাখায় এর প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর।
এই বাণিজ্যের উপর অনেক মানুষ নির্ভরশীল। চ্যাংরাবান্ধা শুল্কদপ্তরের এক আধিকারিক অবশ্য জানিয়েছেন, শুনেছি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাই বোল্ডার নেওয়া বন্ধ করে রেখেছেন। তাই এ নিয়ে এদিক থেকে বিশেষ কিছু করণীয় নেই। স্থলবন্দর খোলাই রয়েছে। শুল্কদপ্তরের তরফেও সব ব্যবস্থা রয়েছে।
সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে শুক্রবার চ্যাংরাবান্ধায় বৈঠক করেন ভারতীয় ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে ভারত থেকে ওই দেশে বোল্ডার পাঠানো হবে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ নেই। বোল্ডার নিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যে দাবি করেছেন, সেই দাবি মেনে নিয়ে কেউ বোল্ডার রপ্তানি করতে চাইলে করতেই পারেন। ব্যবসায়ী সংগঠন দর ঠিক করে দিতে পারে না। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বাণিজ্য করে থাকেন। শুক্রবার বাংলাদেশের সাপ্তাহিক ছুটিতে বাণিজ্য বন্ধ থাকে। আশা করা হচ্ছে, শনিবার স্বাভাবিকই বাণিজ্য চলবে। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনর সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, বাণিজ্য বন্ধ নেই। শনিবারও নিয়ম মেনে বাণিজ্য চলবে। কেউ বোল্ডার পাঠাতে চাইলে নিজ দায়িত্বে দাম ঠিক করে পাঠাতেই পারেন।
এই বাণিজ্যের উপর অনেক মানুষ নির্ভরশীল। চ্যাংরাবান্ধা শুল্কদপ্তরের এক আধিকারিক অবশ্য জানিয়েছেন, শুনেছি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাই বোল্ডার নেওয়া বন্ধ করে রেখেছেন। তাই এ নিয়ে এদিক থেকে বিশেষ কিছু করণীয় নেই। স্থলবন্দর খোলাই রয়েছে। শুল্কদপ্তরের তরফেও সব ব্যবস্থা রয়েছে।
সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে শুক্রবার চ্যাংরাবান্ধায় বৈঠক করেন ভারতীয় ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে ভারত থেকে ওই দেশে বোল্ডার পাঠানো হবে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ নেই। বোল্ডার নিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যে দাবি করেছেন, সেই দাবি মেনে নিয়ে কেউ বোল্ডার রপ্তানি করতে চাইলে করতেই পারেন। ব্যবসায়ী সংগঠন দর ঠিক করে দিতে পারে না। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বাণিজ্য করে থাকেন। শুক্রবার বাংলাদেশের সাপ্তাহিক ছুটিতে বাণিজ্য বন্ধ থাকে। আশা করা হচ্ছে, শনিবার স্বাভাবিকই বাণিজ্য চলবে। চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনর সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, বাণিজ্য বন্ধ নেই। শনিবারও নিয়ম মেনে বাণিজ্য চলবে। কেউ বোল্ডার পাঠাতে চাইলে নিজ দায়িত্বে দাম ঠিক করে পাঠাতেই পারেন।



